Begin typing your search above and press return to search.

অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি,রাজ্যে গ্ৰামীণ গ্ৰস্থাগারিকরা দৈনিক ৩০ টাকা পারিশ্ৰমিক পাচ্ছেন

অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি,রাজ্যে গ্ৰামীণ গ্ৰস্থাগারিকরা দৈনিক ৩০ টাকা পারিশ্ৰমিক পাচ্ছেন

Sentinel Digital DeskBy : Sentinel Digital Desk

  |  15 Oct 2018 8:34 AM GMT

গুয়াহাটিঃ বিশ্বাস করুন বা নাই করুন,বাস্তব সত্য এটাই যে,রাজ্যের একটি গ্ৰামীণ গ্ৰস্থাগারের একজন গ্ৰস্থাগারিক দৈনিক ৩০ টাকা এবং তার সহায়ক ১৮.৩৩ টাকা পাচ্ছেন। এই সব কর্মীরা এই সামান্য পারিশ্ৰমিকে কাজ করার পিছনে তাদের একটাই ভুল যে তারা দিশপুরের আমলাতান্ত্ৰিক লাল ফিতার ফাঁস ছিন্ন করতে ব্যর্থ হয়েছেন। অসমে ডিরেক্টরেট অফ লাইব্ৰেরি সার্ভিসের(ডিএলএস)অধীনে ২৪৬টি গ্ৰস্থাগার রয়েছে। এরমধ্যে ২০৪টি গ্ৰামীণ গ্ৰন্থাগার।

ইউএনএসইসিও-এর মতে,গ্ৰামীণ গ্ৰস্থাগার হচ্ছে এমন ধরনের গ্ৰন্থাগার যারা একটা অঞ্চলের লোকেদের অথবা অঞ্চলটির জন্য বিনামূল্যে কিংবা সামান্য মাশুলে সেবা করে আসছে। ১৯৮৫-৮৬ সালে অগপ সরকারের আমলে দিশপুর ২০৪টি গ্ৰামীণ গ্ৰস্থাগারকে স্বীকৃতি দিয়েছিল। এক একটি লাইব্ৰেরি একজন গ্ৰস্থাগারিককে মাসিক ২৫০ টাকা,সহায়ককে মাসিক ১৭৫ টাকা নির্ধারিত হারে বেতন দেওয়ার কথা ছিল। ঠিক হয়েছিল একবছর পর তাদের চাকরিও নিয়মিত করার। কিন্তু এই বিষয়টি গত ৩০ বছর ধরে দিশপুরে আমলাদের লাল ফিতার ফাঁসে আটকে আছে। অসম গ্ৰামীণ গ্ৰন্থাগার সংস্থার প্ৰাক্তন কার্যকরী সভাপতি বিজিত বরা বলেন,গ্ৰন্থাগারিক ও সহায়কদের পদগুলি নিয়মিত করার বদলে দিশপুর গ্ৰস্থাগারিকদের মাসিক বেতন ৯০০ টাকা ও সহায়কদের বেতন ৫৫০ টাকা ধার্য করে ২০০৫ সালে। এরপর থেকে এই ইস্যুটি সরকারের হিমঘরে পড়ে আছে।

Next Story