Top
undefined
Begin typing your search above and press return to search.

অরুণাচল প্ৰদেশে গিয়ে অপদস্থ অসমের শিল্পী সমাজ

অরুণাচল প্ৰদেশে গিয়ে অপদস্থ অসমের শিল্পী সমাজ

Sentinel Digital DeskBy : Sentinel Digital Desk

  |  25 Feb 2019 1:07 PM GMT

গুয়াহাটিঃ অরুণাচল প্ৰদেশ সফরে গিয়ে অসমের শিল্পীদের চরম হেনস্তার মুখে পড়তে হয়। শুধু তাই নয়,প্ৰচণ্ড ক্ষতির মুখেও পড়তে হয় শিল্পীদের। ইটানগরে প্ৰথম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্ৰ মহোৎসবে পারফর্ম করতে গিয়েছিলেন রাজ্যের একাংশ শিল্পী। সারা ভারত থেকেই শিল্পীরা এসেছিলেন ইটানগরে। রাজ্যের ছটি অ-অরুণাচলি উপজাতি জনগোষ্ঠীকে স্থায়ী বাসিন্দার প্ৰমাণপত্ৰ(পিআরসি)ইস্যু করতে রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে রাজ্যে ছাত্ৰ আন্দোলন দানা বেঁধে ওঠে।

আন্দোলনকারীরা মারমুখী হয়ে শুক্ৰবার রাতে চলচ্চিত্ৰ উৎসব স্থলে ইটপাটকেল ছুঁড়ে হামলা চালায়। ‘উন্মত্ত আন্দোলনকারীরা আমাদের ব্যান্ডের দুটি ইনোভা(নং এএস০১এএইচ ৯০০৯)এবং(এএস ০১ জিসি ৬০৪৮)সহ বেশকটি গাড়ি সম্পূর্ণ ভেঙে ফেলে। অরুণাচল প্ৰদেশ সরকারের আমন্ত্ৰণেই শিল্পীরা ওখানে গিয়েছিলেন।আমাদের এসকর্ট দেওয়ারও আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাজ্য সরকার আমাদের নিরাপত্তা দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে’। গুয়াহাটির এসকেডি ব্যান্ডের মুখ্য গিটারিস্ট কৈলাশ শর্মা দ্য সেন্টিনেলকে কথাগুলি বলেন।তিনি আরও বলেন,‘আমাদের সমস্ত যন্ত্ৰ সরঞ্জাম ভেঙে ফেলেছে ওরা। আমরা কয়েক কোটি টাকার যন্ত্ৰ খুইয়েছি। শিল্পী এবং প্ৰতিনিধিরা যে হোটেলে ছিলেন তার পাশে থাকা সেক্ৰেটারিয়েটে আগুন দেওয়াই আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্য ছিল। প্ৰথম দিকে আন্দোলনকারীরা সরকারি গাড়িগুলিকেই আক্ৰমণের লক্ষ্য করেছিল। কিন্তু এরই মধ্যে পুলিশের গুলিতে একজনের মৃত্যু হওয়ায় আন্দোলনকারীরা হিংসায় উন্মত্ত হয়ে ওঠে’।

সারা অসম শিল্পী সুরক্ষা মঞ্চ রবিবার ওই রাজ্যে শিল্পীদের ওপর আক্ৰমণের নিন্দা করেছে। সংগীত শিল্পী বর্ণালি কলিতা বলেন,শিল্পীদের প্ৰতি আমাদের শ্ৰদ্ধা থাকা চাই। শিল্পীদের যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে অরুণাচল সরকারকে তার ক্ষতিপূরণ দেওয়া উচিত’।

যুব প্ৰজন্মের হার্টথ্ৰব জুবিন গার্গ বলেন,‘ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয় রাজ্য সরকারকে তা সুনিশ্চিত করতে হবে। শিল্পীরা যন্ত্ৰের জন্য লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করে থাকেন। গিটারবাদক প্ৰিয়াঙ্কু বরদলৈ বলেন,‘প্ৰতিবাদ করা মানুষের গণতান্ত্ৰিক অধিকার। আমরাও নাগরিকত্ব বিলের বিরুদ্ধে প্ৰতিবাদ করেছি। তবে প্ৰতিবাদের সময় দেখতে হবে এতে যেন সাধারণ মানুষের কোনও ক্ষতি না হয়। সরকারি বা বেসরকারি সম্পত্তি নষ্ট করে কোনও সমস্যার সমাধান হয় না। অরুণাচল প্ৰদেশ সরকার শিল্পীদের নিরাপত্তা দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে’-বলেন তিনি। উৎসবের জন্য অসম থেকে ২.৫ কোটি টাকার যে সাউন্ড সিস্টেম অরুণাচল সরকার নিয়েছিল সেটিও পুড়িয়ে ফেলেছে উন্মত্ত আন্দোলনকারীরা।

Next Story