Begin typing your search above and press return to search.

অসমে শিশু শ্ৰমিক ব্যবহারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে

অসমে শিশু শ্ৰমিক ব্যবহারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে

Sentinel Digital DeskBy : Sentinel Digital Desk

  |  19 Feb 2019 10:17 AM GMT

২০১৭ এবং ২০১৮ বর্ষে শিশু শ্ৰমিক ব্যবহারের বিরুদ্ধে ১১৯টি মামলা থানায় নথিভুক্ত হয়েছে। শ্ৰম কল্যাণ বিভাগের তথ্য অনু্যায়ী রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে ২০১৭ বর্ষে ১৪৪ জন এবং ২০১৮ বর্ষে ১৪৫ জন শিশু শ্ৰমিক ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে। সরকারিভাবে প্ৰকাশিত এই তথ্যেই বোঝা যাচ্ছে যে রাজ্যে শিশু শ্ৰমিক ব্যবহারের ঘটনা কিভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

উল্লেখ্য,অসম বিধানসভার বাজেট অধিবেশনে শিশু শ্ৰমিক ব্যবহার সংক্ৰান্তে কংগ্ৰেস বিধারিকা রজলিনা তির্কীর করা এক প্ৰশ্নের জবাবে রাজ্যের গৃহ বিভাগের মন্ত্ৰী তথা মুখ্যমন্ত্ৰী সর্বানন্দ সনোয়ালের হয়ে সদনে এই তথ্য তুলে ধরেন মন্ত্ৰী চন্দ্ৰমোহন পাটোয়ারি। গত দুবছরের জেলা ভিত্তিতে তুলে ধরা তথ্য অনু্যায়ী, কামরূপ(গ্ৰাম্য)জেলায় শিশু শ্ৰমিক ব্যবহারের সংখ্যা ১ এবং এই সংক্ৰান্তীয় মামলার সংখ্যা ঽচ্ছে ১,গুয়াহাটি মহানগর জেলায় ২০টি এধরনের ঘটনা ঘটেছে,ধুবড়িতে ১টি,কোকরাঝাড়ে ৩টি,শোণিতপুরে ১টিম্শিবসাগরে ১১টি,যোরহাটে ২৭টি,গোলাঘাটে ৩টি,ডিব্ৰুগড়ে ৩২টি,নগাঁওয়ে ১টি,ডিমা-হাসাওয়ে ১টি,কাছাড়ে ৬টি,করিমগঞ্জে ৩টি,বঙাইগাঁওয়ে ১টি,মরিগাঁওয়ে ১টি,ওদালগুড়িতে ১টি,বাকসায় ১টি,হোজাইয়ে ১টি,শদিয়ায় ২টি ঘটনা ঘটেছে।

অন্যদিকে,শ্ৰম কল্যান বিভাগের তরফে প্ৰকাশিত তথ্য অনু্যায়ী গত দুবছরে কোকরাঝাড়ে ৩টি বঙ্গাইগাঁওয়ে ২টি,কামরূপ(ম)১৫টি,বোকাখাট(গোলাঘাট)১টি,নলবাড়ি ৫টি,মঙ্গলদৈ ২টি,তেজপুর ৩২টি,যোরহাটে ৪৪টি,শিবসাগর ২০টি,ডিব্ৰুগড় ৪৫টি,তিনসুকিয়া ৬২টি,হোজাই ৪টি,হাইকান্দি ৩টি,ডিমাহাসাও ১০টি এবং কাছাড় জেলায় ৪১টি শিশু শ্ৰমিক ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে। সেইসঙ্গে মন্ত্ৰী পাটোয়ারি সদন্ৰ এও জানান,প্ৰতিটি জেলায় শিশু শ্ৰমিক ও কিশোর শ্ৰমিক রোধের মতো যাবতীয় কাজকর্ম তদারক করার জন্য জেলাশাসকদের অধীনে ১টি করে টাস্ক ফোর্স গঠন করা হয়েছে। যেখানে শিশু কল্যাণ সমিটি,জেলা শিশু সুরক্ষা অফিসার,পুলিশ বিভাগ,স্বাস্থ্য বিভাগ,শিক্ষা বিভাগ,শ্ৰম কল্যাণ বিভাগ এবং বেশকয়েকটি বেসরকারি সংস্থাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এছাড়া প্ৰতিটি জেলায় একজন করে ‘নোডল অফিসার’ নিয়োগ করা হয়েছে। পাশাপাশি মন্ত্ৰী পাটোয়ারি এও জানান শিশু শ্ৰমিক সংক্ৰান্তীয় Juvenile Justice (Care and Protection of Children) Act.2015, Child Adolescent Labour (Prohibition and Regulation) Act.1986-র মতে,নিয়মিতভাবে অপরাধ অনুসন্ধান বিভাগে তদন্তকারী অফিসারদের প্ৰশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া তিনি জানান,বর্তমান অসমের ১০টি জেলায় অর্থাৎ কামরূপ(ম),কামরূপ,রেলওয়ে স্টেশন পল্টনবাজার,বরপেটা,কাছাড়,নগাঁও,ডিব্ৰুগড়,তিনিসুকিয়া,যোরহাট,কোকরাঝাড়,কার্বি-আংলঙে ১১টি চাইল্ড হেল্দ হেল্পলাইন খোলা হয়্তছে। এছাড়া আরও চারটি জেলায় অর্থাৎ শোণিতপুত,হাইলাকান্দি,বঙাইগাঁও এবং লখিমপুরে ২০১৯ সালের মার্চের মধ্যেই এধরনের হেল্পলাইন খোলা হবে।

Next Story