ন্যাশনাল

আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে তিন নেতার বিরুদ্ধে আজ সিদ্ধান্ত নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন

নির্বাচন কমিশন

গুয়াহাটিঃ প্ৰধানমন্ত্ৰী নরেন্দ্ৰ মোদি,বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ এবং কংগ্ৰেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভি্যোগ নিয়ে নির্বাচন কমিশন আজ একটা সিদ্ধান্ত নেবে। প্ৰধানমন্ত্ৰী মোদি এবং বিজেপি সভাপতি অমিত শাহর বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনের একাধিক অভি্যোগ পেয়ে  কমিশন নিষ্ক্ৰিয় বসে আছে বলে উল্লেখ করে কংগ্ৰেস সোমবার সুপ্ৰিমকোর্টে নালিশ করে। কংগ্ৰেস সাংসদ সুস্মিতা দেব তাঁর পিটিশনে মোদি ও শাহ উভয়ের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য রাখার এবং রাজনৈতিক প্ৰচারে সশস্ত্ৰ বাহিনীকে ব্যবহার করার অভি্যোগ করেছেন। প্ৰধানমন্ত্ৰী মোদির বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্ৰচারকালে পুলওয়ামা কাণ্ড ও বালাকোটে বায়ুসেনার বিমান হামলার প্ৰসঙ্গ তুলে আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভি্যোগ আনা হয়েছে। আরও একটি ইস্যু যা কমিশনে ঝুলছে তা হলো,প্ৰধানমন্ত্ৰী যখন গুজরাটে ভোট দিতে গিয়েছিলেন ওই সময় নিজের রাজ্যে মিনি রোড শো এবং বক্তব্য রাখার বিষয়টিও রয়েছে।

অমিত শাহ সশস্ত্ৰ বাহিনীকে ‘মোদি সেনা’ আখ্যা দেওয়ার বিষয়টি নিয়েও প্ৰতিক্ৰিয়ার সৃষ্টি হয়েছিল। একজন সেনা আধিকারিক শাহ-র ওই মন্তব্যে প্ৰতিক্ৰিয়া ও আপত্তি ব্যক্ত করে প্ৰতিরক্ষা মন্ত্ৰকের কাছে চিঠিও দিয়েছিলেন। নির্বাচন কমিশন শাহর বিরুদ্ধে আনা এই অভিযোগটিও খতিয়ে দেখবে। ওদিকে নির্বাচনী প্ৰচারের সময় ‘চৌকিদার চোর হ্যায়’ মন্তব্য করার জন্য কংগ্ৰেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেছিল বিজেপি।

আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে কমিশনের বিরুদ্ধে নিষ্ক্ৰিয়তার অভিযোগ সম্পর্কে সুপ্ৰিমকোর্ট বিষয়টি উত্থাপন করার পরই নির্বাচন কমিশন সক্ৰিয় ভূমিকা নেয়।

আচরণ বিধি লঙ্ঘনের দায়ে নির্বাচন কমিশন উত্তর প্ৰদেশের মুখ্যমন্ত্ৰী যোগী আদিত্যনাথ,কেন্দ্ৰীয় মন্ত্ৰী মানেকা গান্ধী,বিএসপি নেত্ৰী মায়াবতী,সমাজবাদী পার্টির নেতা আজম খান ও কংগ্ৰেসের নবজোৎ সিধুর নির্বাচনী প্ৰচারে নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে।