Begin typing your search above and press return to search.

১ এপ্ৰিল থেকে মদ পুরোপুরি নিষিদ্ধ হচ্ছে মিজোরামে

১ এপ্ৰিল থেকে মদ পুরোপুরি নিষিদ্ধ হচ্ছে মিজোরামে

Sentinel Digital DeskBy : Sentinel Digital Desk

  |  23 March 2019 1:11 PM GMT

আইজলঃ চলতি বছরের ১ এপ্ৰিল থেকে মিজোরাম ফের মদ নিষিদ্ধ রাজ্য হতে চলেছে। মিজোরাম বিধানসভা মদ নিষিদ্ধ বিল ২০১৯ ইতিমধ্যেই পাস করেছে। ওই বিলে সাধারণ মানুষের মদ খাওয়া,মদ উৎপাদন ও বিক্ৰি নিষিদ্ধ করতে চাওয়া হয়েছে।

ক্ষমতাসীন মিজো ন্যাশনাল ফ্ৰন্ট(এমএনএফ)সরকারের রাজ্যে মদ নিষিদ্ধ করা তাদের নির্বাচনী প্ৰতিশ্ৰুতির একটি ছিল। গত বছর ৪০ সদস্যের মিজোরাম বিধানসভার নির্বাচনে ২৬টি আসনে জয়ী হয়ে এমএনএফ রাজ্যের ক্ষমতায় আসে। ওই নির্বাচনে ক্ষমতা হাতছাড়া হয় কংগ্ৰেসের।

রাজ্যের আবগারি ও নারকোটিক্স বিভাগের মন্ত্ৰী কে বেইচুয়া গত বুধবার এই সংক্ৰান্ত বিলটি বিধানসভায় পেশ করেন এবং তা সর্বসম্মতিক্ৰমে পাস হয়ে যায়।

‘মিজোরামে মদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ফলে মিজো সমাজে তার মারাত্মক প্ৰভাব পড়েছিল। মদ খেয়ে রাজ্যে পথ দুর্ঘটনায় অকালে বহু লোক মারা গেছে। যুব সমাজের মধ্যে মদ খাওয়ার প্ৰবণতাও মাত্ৰাধিক বেড়ে গিয়েছিল-বিল পেশ করে বলেন আবগারি মন্ত্ৰী। জোরাম পিপলস মুভমেন্টের(জেডপিএম)বিধায়ক ভ্যানলালথালানা সম্প্ৰতি বিহারে মদ নিষিদ্ধ করার প্ৰসঙ্গ তুলে বলেন,এই পদক্ষেপের ফলে ওই রাজ্যে অপরাধের ঘটনা অনেকটাই হ্ৰাস পেয়েছে। বিহারে মদ নিষিদ্ধ হওয়ার পর মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধের ঘটনা ১৩ শতাংশ কমেছে। পাশাপাশি ধর্ষণের ঘটনাও হ্ৰাস পেয়েছে ওই রাজ্যে। বিলের পক্ষে ওকালতি করে কথাগুলি বলেন ভ্যানলালথালানা।

মিজোরামে বিগত বিধানসভা নির্বাচনকালে এমএনএফ প্ৰতিশ্ৰুতি দিয়েছিল ক্ষমতায় এলে তারা রাজ্যে মদ পুরোপুরি নিষিদ্ধ করবে। কিন্তু কংগ্ৰেস তাদের প্ৰস্তাবে বাগড়া দিয়েছিল। বিজেপি মদ আংশিক নিষিদ্ধ করার পক্ষে কথা বলেছিল। তারা স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত মদ চালু রাখার পক্ষেই সায় দিয়েছিল। কিন্তু চার্চ সংস্থাগুলি মদ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার পক্ষেই কথা বলেছিল। মিজোরামে নির্বাচনের সময় প্ৰধান ভূমিকা নিয়েছিল চার্চ সংস্থা।

১৯৯৭ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত মিজোরামে মদ পুরোপুরি নিষিদ্ধ ছিল। কিন্তু পূর্বতন কংগ্ৰেস সরকার ওই নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছিল। নিষেধাজ্ঞা প্ৰত্যাহারের পর খ্ৰিস্ট ধর্মাবলম্বী অধ্যুষিত রাজ্যটিতে মদের বিপণি ফের জাকিয়ে বসে।

Next Story