Top
undefined
Begin typing your search above and press return to search.

অবসরপ্ৰাপ্ত সেনা অফিসার ‘বিদেশি’ ঘোষিত,পাঠানো হলো ডিটেনশন ক্যাম্পে

অবসরপ্ৰাপ্ত সেনা অফিসার ‘বিদেশি’ ঘোষিত,পাঠানো হলো ডিটেনশন ক্যাম্পে

Sentinel Digital DeskBy : Sentinel Digital Desk

  |  30 May 2019 1:52 PM GMT

বকো/রঙিয়াঃ প্ৰাক্তন সেনা অফিসার সানাউল্লাকে ‘বিদেশি’ ঘোষণা করে ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠানো হয়েছে। সানাউল্লা কামরূপ জেলার বকো থানার অধীন কলহিকাস গ্ৰামের বাসিন্দা। গত বছর পর্যন্ত সানাউল্লা কর্মরত ছিলেন। ওই সময়ই ‘বিদেশি’ সন্দেহে তাদের নোটিশ ধরানো হয়েছিল।

বকো বিদেশি ট্ৰাইবুনাল ২০১৮-র ৪ সেপ্টেম্বর মহম্মদ সানাউল্লাকে নোটিশ ইস্যু করে এবং তাকে বিদেশি ঘোষণা করা হয় গত মঙ্গলবার। কামরূপের অ্যাডিশনাল এসপি সঞ্জীব শইকিয়ার মতে,২০০৮ সালে কামরূপের ফরেনার্স ট্ৰাইবুনালে একটি মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছিল। ট্ৰাইবুনালের রায়ের পর তাকে গোয়ালপাড়ার ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখা হয়েছিল। এখন তার পরিবারের লোকেরা ন্যায় বিচারের জন্য গৌহাটি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

জানা গিয়েছে যে,সানাউল্লার স্ত্ৰী সদবানু বিবি,কন্যা শেহনাজ আখতার,হেলমিনা আখতার এবং পুত্ৰ সাহিত আলি সহ তার নামও প্ৰকাশিত এনআরসির সম্পূর্ণ খসড়ায় ওঠেনি। তবে এনআরসি-র খসড়ায় সানাউল্লার দুই বড় ভাই প্ৰয়াত হানিফ আলি ও বারেক আলির নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

সানাউল্লার ভাইপো রাজব আলি বলেছেন যে,তার কাকু সানাউল্লা জন্ম হয়েছিল ১৯৬৭ সালের ৩০ জুলাই কামরূপ জেলার ছয়গাঁও রাজস্ব সার্কলের কলহিকাস গ্ৰামে। ১৯৮৫ সালে চম্পুপাড়া সরকারি হাইস্কুল থেকে সানাউল্লা ম্যাট্ৰিক পাস করেছিলেন। বরপেটা জেলার চেঙা কলেজে পড়াশোনা করেছেন। ১৯৮৭ সালের ২১ মে ভারতীয় সেনার ইলেক্ট্ৰনিক ও মেকানিক্যাল শাখায় যোগ দিয়েছিলেন সানাউল্লা। ২০১৭-র ৩১ মে চাকরি থেকে অবসর নেন তিনি। ২০১৮ সালে সানাউল্লা অসম পুলিশের সীমান্ত শাখায় সাব ইন্সপেক্টর হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। কামরূপ জেলার বাইহাটা চারালি থানায় ওই পদে কর্মরত ছিলেন তিনি। ২০১৪-র ২ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্ৰপতির কাছ থেকে শংসাপত্ৰও পেয়েছিলেন সানাউল্লা।

Next Story