রাজ্যের খবর

শাক সব্জির বাজারে আগুন,মাথায় হাত সাধারণ খদ্দেরের

শাক সব্জি

গুয়াহাটিঃ মরশুমের এবারের প্ৰলয় বন্যা রাজ্যের জনজীবনে নামিয়েছে দুর্যোগের ঘনঘটা। বন্যার পাশাপাশি ধস ও নদীর ভাঙল অব্যাহত বিভিন্ন স্থানে। বন্যার করাল থাবায় বিধ্বস্ত জনজীবন। ঘরবাড়ি,ফসলি জমি,গবাদি পশুর প্ৰভূত ক্ষতি হয়েছে বন্যায়। খেতের ফসল,শাক,সব্জির মোটা ভাগই জলে তলিয়ে গেছে। বাজারে শাক সব্জির প্ৰচণ্ড অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। মানুষের জীবনযাত্ৰার মান নেমেছে তলানিতে। বন্যার পর এর প্ৰভাব সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে শাক-সব্জির বাজারে।

রাজ্যের অধিকাংশ বাজারে এখন শাক-সব্জির আকাল। শাক-সব্জির চড়া মূল্য আকাশ ছুঁতে চলেছে।

বর্তমানে বাজারের যা অবস্থা তাতে একজন ব্যক্তি তার পছন্দের সব্জি কিনতে গিয়ে রীতিমতো হিমসিম খাচ্ছেন। প্ৰতিদিনই সব্জির দর বাড়ছে। তার মধ্যে টাটকা সব্জির দেখা মেলাই ভার। দেড়শ বন্যার আগে যেখানে ২০-২৫ টাকায় ১ কেজি পাওয়া যেতো এখন তার দাম চড়ে কেজি প্ৰতি ৪০-৫০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। প্ৰতিটি সব্জি কিনতে আগের দরের চেয়ে ২০-৩০ টাকা বেশি গুনতে হচ্ছে। মাত্ৰ ১৫ দিনের মধ্যে সব্জির বাজার দরে এই আগুন লেগেছে। যে সব্জিগুলো হামেশাই হাতের কাছে পাওয়া যেতো বন্যার পর সেগুলো এখন আর নজরে আসছে না। একাংশ সব্জি বিক্ৰেতাও পরিস্থিতির সু্যোগ নিয়ে যেকোনও ধরনের সব্জির চড়া দর হাকাচ্ছে।

অন্যান্য সব্জি বিশেষ করে বেগুন,ঝিঙে,মিষ্টি কুমড়ো,বিন,লাউ ইত্যাদি আগের চেয়ে এখন দ্বিগুন দামে বিকোচ্ছে। মোদ্দা কথায় প্ৰতিটি সব্জির দাম হুহু করে বাড়ছে। নিম্ন মধ্য বিত্তদের কাছে সব্জি কেনা এখন সামর্থ্যের বাইরে। এক কেজি বেগুন কিনতে গচ্চা দিতে হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা।

গুয়াহাটির বাজারে কাচা সব্জি আসে খারুপেটিয়া,দলগাঁও ও মেঘালয় ইত্যাদি অঞ্চল থেকে। এই সব অঞ্চলে বন্যার জন্য সব্জির সরবরাহও কমে গিয়েছে। এভাবে শাক সব্জির দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মাথায় হাত পড়ার উপক্ৰম হয়েছে। কারণ এত চড়া মূল্য দিয়ে সব্জি কেনার মতো সামর্থ বা ক্ষমতা সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের নেই।

 

 

অন্যান্য খবরের জন্য পড়ুনঃ পেঁয়াজ সংগ্ৰহের কাজ শুরু করেছে কেন্দ্ৰ