গুয়াহাটিঃ আগামি ২০ আগস্ট থেকে অসমের মানুষ পেট্ৰোল,এলপিজি এবং অন্যান্য পেট্ৰোলজাত সামগ্ৰীর অভাবের মুখোমুখি হচ্ছেন। ডিগবয়ের গোলাইয়ে লোডিং টার্মিনালে আইওসিতে(ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন)সিন্ডিকেটরাজ চলার বিরুদ্ধে অসম পেট্ৰোলিয়াম মজদুর ইউনিয়ন(এপিএমইউ)২০ আগস্ট থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট ডাকায় পেট্ৰোলজাত সামগ্ৰীর কৃত্ৰিম অভাবের মুখে পড়তে হবে রাজ্যের মানুষজনকে। অসমে সিন্ডিকেটরাজ এমনভাবে চাড়া দিয়ে উঠেছে যে এ সম্পর্কে শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষের মনে নানা প্ৰশ্ন উঠছে। তাহলে সিন্ডিকেট রাজের কবল থেকে রাজ্যের মানুষ কি কখনও মুক্তি পাবেন না?
এপিএমইউ-র সাধারণ সম্পাদক রমেন দাস অভিযোগ করে বলেন,কিছু যুবক,যারা নিজেদের গোলাই অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হিসেবে দাবি করে তারা প্ৰ্ৰতিটি তেল ট্যাংকার থেকে ২০০ টাকা করে দাবি করা ছাড়াও অ্যারেস্টার্স,হেলমেট,পোশাক,বুট ইত্যাদিও চড়া দামে বিক্ৰি করছে। দাসের মতে,এই সব প্ৰয়োজনীয় সামগ্ৰী সব সময় তেল ট্যাংকারের সঙ্গে থাকে। এই সামগ্ৰীগুলি ছাড়া আইওসি কোনও ট্যাংকারকে তাদের চত্বরে ঢুকতে দেয় না। ১৫০টি তেল ট্যাংকার রোজ লোডিঙের জন্য টার্মিনালে যায়। তাদের প্ৰতিদিন সিন্ডিকেটকে ৩০ হাজার টাকা দিতে হয় বলে দাস অভিযোগ করেন। সিন্ডিকেটের পিছনে রাজনৈতিক হাত থাকার সম্ভাবনা অবশ্য উড়িয়ে দেননি দাস।
ট্যাংকার চালকরা এই সব সামগ্ৰী যুবকদের কাছ থেকে কিনতে বাধ্য কারণ তাঁরা এর বিরোধিতা করতে পারেন না। চালকদের আশঙ্কা,উচ্চবাচ্য করলেই শারীরিকভাবে নিগ্ৰহের শিকার হতে হবে তাদের’-বলেন দাস। দাসের মতে,এপিএমইউ অয়েল ট্যাংকার চালকদের এই সমস্যা নিয়ে মুখ্যসচিবকে চিঠি লিখেছে। ‘আমরা সাফ জানিয়ে দিয়েছি আমাদের সমস্যার প্ৰতি যদি গুরুত্ব দেওয়া না হয় তাহলে ২০ আগস্ট থেকে আমরা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করবো। আমরা মুখ্যসচিবকে অনুরোধ করেছি এব্যাপারে হস্তক্ষেপ করে প্ৰয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে’-বলেন দাস।