সংবাদ শিরোনাম

এনআরসি-র জন্য ভারতে শরণার্থীদের কোনও সমস্যার মুখে পড়তে হবে নাঃ অমিত

অমিত

কলকাতাঃ ভারতীয় জনতা পার্টির(বিজেপি)রাষ্ট্ৰীয় সভাপতি অমিত শাহ সোমবার বলেছেন,রাষ্ট্ৰীয় নাগরিক পঞ্জি(এনআরসি)নবায়নের জন্য বাংলা অথবা দেশের অন্যত্ৰ শরণার্থীদের কোনও সমস্যায় পড়তে হবে না। কারণ তার আগেই নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের মাধ্যমে এই সব শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।

‘বাংলার হিন্দু শরণার্থীদের কোনওরকম সমস্যার মুখে পড়তে হবে না। শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার বিষয়টি সুনিশ্চিত করতে প্ৰথমেই নাগরিকত্ব বিল আনা হবে। এরপরই রূপায়ণ করা হবে এনআরসি। আর এরজন্য শরণার্থীদের দুশ্চিন্তা করার কোনই কারণ নেই। তবে অনুপ্ৰবেশকারীদের অবশ্যই ভাবতে হবে’-শাহ কলকাতায় সাংবাদিকদের একথা বলেন।

এনআরসি সারা দেশেই রূপায়ণ করা হবে। এটা শুধু বাংলার ক্ষেত্ৰেই নয়। অনুপ্ৰবেশ একটা জাতীয় সমস্যা। তবে পশ্চিমবাংলায় এর প্ৰভাবটা একটু বেশি হতে পারে কারণ এটি সীমান্ত রাজ্য’-বলেন তিনি। বিজেপি দলের প্ৰধান এব্যাপারে মানুষের মন থেকে বিভ্ৰান্তি দূর করতে এবং এনআরসি ইস্যু নিয়ে অহেতুক আশঙ্কা হ্ৰাস করতে সাহা্য্য করার জন্য সাংবাদিকদের সক্ৰিয় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্ৰী মমতা ব্যানার্জির দল তৃণমূল কংগ্ৰেস সহ নির্দিষ্ট কিছু রাজনৈতিক দলের বিরোধিতার জন্য নাগরিকত্ব বিল রাজ্যসভায় পাস করানো যায়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি। শাহ বলেন,২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের পর বিল পাসে কোনও সমস্যা হবার কথা নয়। কারণ নির্বাচনের পর রাজ্যসভার সংখ্যাগত সমীকরণটাও পাল্টে যাবে।

‘বিলে পরিষ্কার উল্লেখ করা হয়েছে যে ধর্মীয় সংখ্যালঘু যে সব মানুষ অন্যান্য দেশ থেকে ভারতে আশ্ৰয় নিয়েছেন তাদের সুরক্ষা দিতেই ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।

এই সব শরণার্থীরা হিন্দু,শিখ,ক্ৰিস্টান,জৈন অথবা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী হতে পারেন। বিজেপি সরকার এখানে তাদের নাগরিকত্ব সুনিশ্চিত করবে। ‘মমতা ব্যানার্জির মতো নেতাদের জন্যই বিলটি রাজ্যসভায় পাস করা যায়নি। তবে ২০২০ সালে রাজ্যসভার সংখ্যাগত সমীকরণ পাল্টে যাবে। এই সব শরণার্থীদের নাগরিকত্ব সুনিশ্চিত করতে আমরা এই বিল পাস করবো’-উল্লেখ করেন শাহ।