Top
undefined
Begin typing your search above and press return to search.

প্ৰধানমন্ত্ৰী আবাস যোজনা প্ৰকল্প রূপায়নে অনিয়মের অভিযোগ আনলেন বিধায়ক আনোয়ার হুসেইন লস্কর

প্ৰধানমন্ত্ৰী আবাস যোজনা প্ৰকল্প রূপায়নে অনিয়মের অভিযোগ আনলেন বিধায়ক আনোয়ার হুসেইন লস্কর

Sentinel Digital DeskBy : Sentinel Digital Desk

  |  31 Dec 2018 11:15 AM GMT

আগামী ৪ জানুয়ারি শিলচর সফরে আসছেন প্ৰধানমন্ত্ৰী নরেন্দ্ৰ মোদী। সম্পূর্ম রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্ৰধানমন্ত্ৰী ওই আগমনের পূর্বেই বিস্ফোরন ঘটাচ্ছেন এআইইউডিএফ বিধায়ক আনোয়ার হুসেইন লস্কর। শুধু তাই নয় মুখ্যমন্ত্ৰী সর্বানন্দ সনোয়ালের বিরুদ্ধেও বছরের শেষ দিনে অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বর বেশ সরব হন বিধায়ক লস্কর।

শহরাঞ্চলের প্ৰধানমন্ত্ৰী আবাস যোজনা নিয়ে বিভিন্ন অনিয়মের অভি্যোগ উত্থাপন করেন তিনি। এমনকি সরকারের এই প্ৰকল্পটি ধ্বংসের দিকে অগ্ৰসর হওয়ার অভিযোগ করেন বিধায়ক লস্কর। সোমবার দিশপুর বিধায়ক আবাসে সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে হুসেইন সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে বলেন,এই প্ৰকল্পের অন্তর্গত প্ৰায় ৫৭ হাজার আবাস বরাদ্দ হয়েছিল যদিও বাস্তবে ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষ,২০১৬-১৭ অর্থবর্ষ,২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে মাত্ৰ ১১টি ঘর দেওয়া হয়েছে।

এক্ষেত্ৰে চুরান্ত অনিয়ম সংঘঠিত হওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন,এনিয়ে মুখ্যমন্ত্ৰী সর্বানন্দ সনোয়ালকে বার বার অভিযোগ করা হয়েছিল। যদিও কোনও পদক্ষেপই নেয় নি। বলেন,সরকারের প্ৰত্যক্ষ মদতে বিভাগীয় মিশন ডিরেক্টর সাদনেক সিং এবং মুখ্য সচিব আলোককুমার যা খুশি তাই করে যাচ্ছেন। এরা অসমের বিভিন্ন বিল্ডারের কাছ থেকে কমিশন নিয়ে প্ৰধানমন্ত্ৰী আবাস যোজনা(নগর)গৃহ নির্মাণে সম্পূর্ণ অবহেলা করছেন। তাঁর কথা এর ফলে আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা রাজ্যের একলক্ষ দশ হাজার আবেদনকারীর মধ্যে একজনও ঘর পায়নি। এই আবেদনকারীর মধ্যে ২৬ হাজারই গুয়াহাটি মহানগরের।

প্ৰকল্পটি ঠিকঠাক বাস্তব রূপ নিলে অনেক মধ্যবিত্ত শ্ৰেণির মানুষ সূলভ মূল্যে বাসগৃহ ক্ৰয় করার সুবিধা পেতেন। কিন্তু ওই দুই আধিকারীক প্ৰাচীর হয়ে দাড়িয়েছেন। বলেন,গত তিন বছরে কেন্দ্ৰীয় সরকারের অনুমূদিত ৫৭,৩৬৫টি ঘরের মধ্যে মাত্ৰ ১১টি ঘরের কাজই সম্পূর্ণ হয়েছে। অন্যদিকে,মিশন সঞ্চালক কার্যালয় ৬ জন ডাটাএন্ট্ৰি অপারেটর চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে ওই প্ৰকল্পের কাজ।

Next Story