Top
undefined
Begin typing your search above and press return to search.

বনধ সংস্কৃতি রাজ্যের ক্ষতি করছেঃ মেঘাশ্ৰী

বনধ সংস্কৃতি রাজ্যের ক্ষতি করছেঃ মেঘাশ্ৰী

Sentinel Digital DeskBy : Sentinel Digital Desk

  |  16 May 2019 11:56 AM GMT

লখিমপুরঃ রাজ্যে হাইস্কুল শিক্ষান্ত পরীক্ষায়(মাধ্যমিক)শীর্ষ স্থান দখল করে ঐতিহাসিক সাফল্যের নজির রেখেছে নারায়ণপুরের মেধাবী ছাত্ৰী মেঘাশ্ৰী বরা। অসমের আধ্যাত্মিক জ্যোতিষ্ক মহাপুরুষ মাধবদেবের জন্মস্থান নারায়ণপুর। মেঘাশ্ৰী ছাড়াও উত্তর লখিমপুর সেন্ট মেরিজ হাইস্কুলের আরও তিনটি মেধাবী ছাত্ৰ মাধ্যমিকে স্থান দখল করে পুরো অঞ্চলটির জন্য গৌরব কুড়িয়ে এনেছে। এই তিন মেধাবী ছাত্ৰ হলো তৌসিফ তমান্না রহমান,অলয় বুড়াগোহাঁই এবং দীপজ্যোতি শর্মা। তৌসিফ পঞ্চম স্থান অধিকার করেছে। অলয় এবং দ্বীপজ্যোতি যৌথভাবে দখল করেছে সপ্তম স্থান।

মেঘাশ্ৰী নারায়ণপুর শিশু বিদ্যা নিকেতন থেকে প্ৰথম স্থান দখল করে। প্ৰয়াত সেনা আধিকারিক গোকূল চন্দ্ৰ বরা ও বন্তি শইকিয়া বরার কন্যা মেঘাশ্ৰী। মেঘাশ্ৰীর মা নাওবৈসা জুনিয়র কলেজের বিষয় শিক্ষিকা। অসমিয়ায় ৯৭,ইংরেজিতে ৯৭,সাধারণ গণিতে ১০০,সাধারণ বিজ্ঞানে ১০০,সমাজ বিজ্ঞানে ১০০ ও অ্যাডভান্স ম্যাথসে ১০০ পেয়েছে মেঘাশ্ৰী। তার প্ৰাপ্ত মোট নম্বর ৫৯৪ অর্থাৎ ৯৯ শতাংশ। মেঘাশ্ৰী তার অসামান্য সাফল্যের জন্য কৃতিত্ব দিয়েছে তার অভিভাবক এবং স্কুলের শিক্ষকদের। মেঘাশ্ৰী বলেছে,পড়াশোনার জন্য বাধাধরা কোনও নিয়ম ছিল না তার। যখনই সময় পেতো তখনই পড়াশোনা করতো। বইপড়া,ছবি আঁকা এবং গান গাইতে ভালবাসে সে। অনুরাধা শর্মা পূজারী এবং মণিকুন্তলা ভট্টাচার্য তাঁর পছন্দের লেখিকা। ভবিষ্যতে ডাক্তার হয়ে মানবতার সেবার আত্মনিয়োগ করাই তার স্বপ্ন-বলেছে মেঘাশ্ৰী। তার মতে,কঠোর পরিশ্ৰম ও অধ্যবসায়ই হচ্ছে সাফল্যের চাবি কাঠি। মেঘাশ্ৰী শুধু মেধাবী ছাত্ৰীই নয়,সামাজিক ক্ষেত্ৰেও অত্যন্ত সচেতন। সাংবাদিকদের কাছে সে অকপটে বলেছে বনধ সংস্কৃতি রাজ্যের ব্যাপক ক্ষতি করছে। শুধু শিক্ষার ক্ষেত্ৰেই নয়,অন্যান্য বিভিন্ন ক্ষেত্ৰে রাজ্যের ক্ষতি করছে বনধ সংস্কৃতি।

এদিকে মাধ্যমিকে দ্বিতীয় স্থান প্ৰাপ্ত যোরহাটের বাঘচুং-এর ডন বসকো হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের ছাত্ৰ চিন্ময় হাজরিকা বলেছে,মাধ্যমিকে দ্বিতীয় স্থান পাব এমনটা আমি কখনোই ভাবিনি। চিন্ময় ৬০০-এর মধ্যে ৫৯৩ নম্বর পেয়েছে। সাধারণ গণিত,সাধারণ বিজ্ঞান এবং সমাজ বিজ্ঞানে ১০০ শতাংশ এবং অ্যাডভান্স ম্যাথসে ও অসমিয়ায় ৯৮ ও ইংরেজিতে ৯৭ নম্বর পেয়েছে সে। মোট ৯৮.৮ শতাংশ নম্বর পেয়েছে চিন্ময়।

যোরহাটের নাওহোলিয়া গ্ৰামের রূপক হাজরিকা ও রুলি হাজরিকার ছেলে চিন্ময়। ভবিষ্যতে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন তাই যোরহাটের প্ৰজ্ঞা অ্যাকাডেমিতে বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করবে বলে জানায় চিন্ময়।

Next Story