রাজ্যের খবর

বাংলাদেশে ভোটকে কেন্দ্ৰ করে কঠোর নিরাপত্তা সীমান্ত এলাকা

বাংলাদেশে ভোট

রাত পোহালেই বাংলাদেশ নির্বাচন। কড়া নিরাপত্তার মোড়কে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা বাংলাদেশকে। সেনাবাহিনী থেকে সমস্ত ফোর্সকে গোটা দেশের নিরাপত্তার মোতায়েন করা হয়েছে। যে কোনও অপ্রতিকর ঘটনা এড়াতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ প্রশাসন। দেশের পাশাপাশি কড়া নিরাপত্তার মোড়কে মুড়ে ফেলা হয়েছে সীমান্ত এলাকাও। বাংলাদেশ সীমান্তে সেনাবাহিনীকে এলার্ট করে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের নির্বাচনকে সামনে রেখে ভারতও যথেষ্ট সতর্ক।

ইতিমধ্যে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বিএসএফের তরফে হাইঅ্যালার্ট জারি করা হয়েছে সীমান্তে। সিল করে দেওয়া হয়েছে ভারত-বাংলাদেশ সংলগ্ন সমস্ত বর্ডার। বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয়, অসম, পশ্চিমবঙ্গ স্থল সীমান্ত সিল করে দেওয়া হচ্ছে। আগামী দুদিন অর্থাৎ রবি এবং সোমবার দুই দেশের মধ্যে স্থলপথে আন্তজারত্তিক বাণিজ্য হবে না বলে জানানো হয়েছে। এর পাশাপাশি জল সীমান্তও কড়া নজরদারির আওতায়। নৌবাহিনীকেও সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক নদীপথগুলিতে চলছে বিশেষ নজরদারীর জন্যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ত্রিপুরা-আখউরা সীমান্ত, মেঘালয়ের ডাউকি সীমান্ত। অসমের করিমগঞ্জ। পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারের চ্যাংড়াবান্ধা, জলপাইগুড়ির ফুলবাড়ি, দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলি, উত্তর ২৪ পরগণার বনগাঁ এবং ঘোজাডাঙা সীমান্তে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।  ভোটচলাকালীন টহলদারি আরও বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে বিএফএফের তরফে। বাংলাদেশের নির্বাচন চলাকালীন সেখানে অপরাধ করে কেউ যাতে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আর না চলে আসতে পারে সেজন্যে বিএসএফকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

জানানো হয়েছে যে, সীমান্ত এলাকায় বাড়তি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সীমান্তে বাড়তি সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও টহলদারী বাড়ানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে সীমান্তরক্ষা বাহিনীর তরফে। এছাড়াও জওয়ানদের বিশেষভাবে অ্যালার্ট থাকার কথা বলা হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় আসা যে কোনও গাড়ি কিংবা মানুষের উপর তল্লাশি চালানোরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিএসএফের তরফে।