Top
Begin typing your search above and press return to search.

বাগানের গর্ভবতী মহিলাদের জন্য ‘মজুরি ক্ষতিপূরণ প্ৰকল্প’ চালু করলেন মুখ্যমন্ত্ৰী

বাগানের গর্ভবতী মহিলাদের জন্য ‘মজুরি ক্ষতিপূরণ প্ৰকল্প’ চালু করলেন মুখ্যমন্ত্ৰী

Sentinel Digital DeskBy : Sentinel Digital Desk

  |  2 Oct 2018 10:28 AM GMT

গুয়াহাটিঃ রাজ্যের চা বাগান এলাকার সন্তানসম্ভবা মহিলাদের জন্য মজুরি ক্ষতিপূরণ প্ৰকল্পটি(ডব্লিউসিএস)সোমবার চালু করেন মুখ্যমন্ত্ৰী সর্বানন্দ সোনোয়াল। এই প্ৰকল্পকে ঐতিহাসিক আখ্যা দেন তিনি। প্ৰকল্পটি তুলনামূলকভাবে বাগান এলাকার সন্তানসম্ভবা মহিলাদের মৃত্যুর হার হ্ৰাস করতে সাহায্য করবে। মহানগরীর শ্ৰীমন্ত শঙ্করদেব কলাক্ষেত্ৰে প্ৰকল্পটির সূচনা করেন সোনোয়াল। তিনি বলেন,রাজ্যে শ্ৰমিকদের একটা বড় অংশ বাগানে কাজ করেন। কিন্তু তাদের স্বাস্থ্যরক্ষা নিয়ে আগের সরকারকে তেমন চিন্তাচর্চা করতে দেখা যায়নি।

এই প্ৰকল্পের মাধ্যমে বাগানে কর্মরত গর্ভবতী মহিলাদের চার কিস্তিতে১২ হাজার টাকা দেওয়া হবে। ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের বাজেটে প্ৰকল্পটি বাবদ ৫৫ কোটি টাকা ধার্ষ করা হয়েছে। প্ৰকল্পের জন্য রাজ্যে বাগানে কর্মরত প্ৰায় ৪৮ হাজার মহিলা প্ৰতিবছর উপকৃত হবেন। বাগানের স্থায়ী ও অস্থায়ী সব কর্মীই প্ৰকল্পের সুবিধা পাবেন। প্ৰকল্প অনু্যায়ী প্ৰথম কিস্তি হিসেবে দেওয়া হবে ২ হাজার টাকা। দ্বিতীয় কিস্তিতে ৪ হাজার এবং তৃতীয় ও চতুর্থ কিস্তিতে ৩ হাজার করে মোট ৬ হাজার টাকা দেওয়া হবে। তবে তৃতীয় কিস্তির টাকা দেওয়া হবে স্বীকৃত সরকারি হাসপাতালে প্ৰসব করানোর জন্য। মুখ্যমন্ত্ৰী বলেন চা জনগোষ্ঠীর বিকাশ না হলে রাজ্যের উন্নতি সম্ভব নয়। কারণ বৃহত্তর অসমিয়া সমাজ গঠনে চা জনগোষ্ঠীর অশেষ অবদান রয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্ৰী হিমন্তবিশ্ব শর্মা অনুষ্ঠানে বলেন,২০০৪-৬ সালে রাজ্যে প্ৰসূতির মৃত্যুর হার ছিল ৪৮০। এখন তা কমে হয়েছে ২৩৭। কিন্তু বাগান এলাকায় প্ৰসূতি মৃত্যুর হার এখনও ৪০৪। তবে এই প্ৰকল্পের জন্য বাগানের গর্ভবতী মহিলাদের সন্তানের জন্ম হওয়া পর্যন্ত কাজ করা থেকে ছাড় দেওয়া হবে।

Next Story