সংবাদ শিরোনাম

রাজ্যের ২৩৯ চা বাগান শ্ৰমিকদের ভবিষ্যনিধির ২৭১ কোটি টাকা জমা দেয়নিঃ পল্লব

পল্লব

গুয়াহাটিঃ রাজ্যের কিছু চা বাগান তাদের শ্ৰমিকদের ভবিষ্যনিধির কয়েক কোটি টাকা জমা দেওয়া বাকি আছে। এরমধ্যে ২২০টি প্ৰাইভেট টি এস্টেট তাদের শ্ৰমিকদের ভবিষ্যনিধির ৬০.৮২ কোটি টাকা জমা দেয়নি। ১৯টি এটিসি(আসাম টি কোম্পানি)বাগান শ্ৰমিকদের ভবিষ্যনিধির ২১১ কোটি টাকা জমা দেওয়া থেকে বিরত রয়েছে। রাজ্যের শ্ৰম ও নিয়োগ দপ্তরের মন্ত্ৰী পল্লব লোচন দাস বুধবার বিধানসভায় প্ৰশ্নোত্তর পর্ব চলাকালে কংগ্ৰেস বিধায়ক দুর্গা ভূমিজ-র এক প্ৰশ্নের জবাবে একথা জানান।

চা শ্ৰমিকদের ভবিষ্যনিধির প্ৰচুর পরিমাণ টাকা জমা না পড়ার সত্যতা স্বীকার করে দাস বলেন,‘আমরা একশ্ৰেণির বাগান কর্তৃপক্ষের সম্পত্তির বিষয়ে যোগাযোগ রাখছি এবং শ্ৰমিকদের ভবিষ্যনিধির(পিএফ)টাকা আটকে রাখায় ওই সব বাগান কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এফআইআর দাখিল করা হয়েছে। অন্যান্য আরও কয়েকটি টি এস্টেটের বিরুদ্ধেও এফআইআর প্ৰস্তুত করা হচ্ছে। এপর্যন্ত অবসরপ্ৰাপ্ত ১৬০০ জন চা কর্মীর ভবিষ্যনিধির টাকা রিলিজ না করার মামলাও রয়েছে।

ভবিষ্যনিধির অর্থ জমা না দেওয়ার বিস্তারিত পরিসংখ্যান তুলে ধরে মন্ত্ৰী দাস বলেন,ডিব্ৰুগড় জেলায় ৪৮ টি চা বাগান কর্তৃপক্ষ শ্ৰমিকদের ভবিষ্যনিধির ১৭.৪৬ কোটি টাকা অনাদায়ী রেখেছে। যোরহাট জেলার ৩৮টি টি এস্টেটের ৬.৪৯ কোটি টাকা জমা দেওয়া বাকি আছে। নগাঁও জেলার দশটি চা বাগানের বাকি রয়েছে ৬.৭৯ কোটি টাকা। তিনসুকিয়া জেলার ২৫টি বাগানের ৩.০৯ কোটি টাকা ও কাছাড় জেলার ১৭টি এস্টেটের ৩.৯৭ কোটি টাকা এখনও পর্যন্ত জমা পড়েনি।

মন্ত্ৰী আরও বলেন,অন্যদিকে ১৯টি এটিসি টি এস্টেটের বাগান শ্ৰমিকদের ভবিষ্যনিধির ২১১ কোটি টাকা জমা দেওয়া বাকি আছে। তিনি বলেন,এটিসির যে সব বাগান শ্ৰমিক ২০১৭ র ৩১ মার্চ পর্যন্ত অবসর নিয়েছেন,তাদের ভবিষ্যনিধির টাকা রিলিজ করা হয়েছে।