Begin typing your search above and press return to search.

রাজ্যের ৫ কেন্দ্ৰে ঢালাও নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে প্ৰথম দফার ভোট চলছে

রাজ্যের ৫ কেন্দ্ৰে ঢালাও নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে প্ৰথম দফার ভোট চলছে

Sentinel Digital DeskBy : Sentinel Digital Desk

  |  11 April 2019 7:04 AM GMT

গুয়াহাটিঃ রাজ্যের পাঁচটি লোকসভা কেন্দ্ৰে আজ প্ৰথম দফার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পাঁচটি কেন্দ্ৰ হচ্ছে যোরহাট ডিব্ৰুগড়,কলিয়াবর,লখিমপুর ও তেজপুর। ইভিএম এবং ভোটার ভেরিফায়েবল পেপার অডিট ট্ৰেল(ভিভিপিএটি)মেশিনে ৪১ জন প্ৰার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হবে। সকাল ৭টায় ভোট কেন্দ্ৰগুলিতে ভোটগ্ৰহণ শুরু হয়েছে। চলবে বিকেল পাঁচটা অবধি। প্ৰথম দফার ভোটে ৪১ জন প্ৰার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করবেন মট ৭৬,০৩,৪৫৮ জন ভোটার। পাঁচটি লোকসভা আসনের মোট ৯,৫৭৪টি ভোট কেন্দ্ৰে ভোট গ্ৰহণ পর্ব চলছে। বেলা ১১টা পর্যন্ত এই পাঁচ কেন্দ্ৰে ২১ শতাংশ ভোট পড়ার খবর পাওয়া গেছে।

নির্বাচন কমিশন এই পাঁচ কেন্দ্ৰের ৩,৯৯০টি ভোট কেন্দ্ৰকে অত্যন্ত স্পর্শকাতর,৭০৪টিকে স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ২০১টি ভোট কেন্দ্ৰে সব মহিলা নির্বাচন কর্মী রয়েছেন। ২২৫টিকে মডেল পোলিং স্টেশন চিহ্নিত করা হয়েছে।

রাজ্যে প্ৰথম দফার নির্বাচনে পুরুষ ভোটার রয়েছেন ৩৮,৬৫,৩৩৪ জন। মহিলা ভোটার হলেন ৩৭,৩৭,৯৭০। এবার প্ৰথম দফায় ১৫৪ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ভোট দিচ্ছেন। রাজ্য নির্বাচন বিভাগ জানিয়েছে রাজ্যে নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্ৰহণ করা হয়েছে। নির্বাচনি কর্মকর্তাদের অধিকাংশ গতকালই নিজেদের গন্তব্যে পৌঁছে গেছেন। নির্বাচন ঘিরে প্ৰতিটি ভোট কেন্দ্ৰে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্ৰহণ করা হয়েছে। প্ৰথম দফার নির্বাচনের জন্য মোট ১৮০ কোম্পানি সুরক্ষা কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে ভোট কেন্দ্ৰগুলিতে। তাছাড়া ৪২,১২৬ জন নির্বাচনি কর্মকর্তা ভোটের কাজ দেখাশোনা করছেন। তবে এঁদের মধ্যে ১০ শতাংশকে ‘সংরক্ষিত’ রাখা হয়েছে।

এছাড়াও ৬৪১ জন মাইক্ৰো অবজারভার,১৫১টি ফ্লাইং স্কোয়াড,১৩৭টি স্টেটিক সারভিল্যান্স টিম,১১৮টি ভিডিও সারভিল্যান্স টিম মোতায়েন করা হয়েছে প্ৰথম দফার ভোটে। উল্লেখ্য,এই প্ৰথম সব ভোট কেন্দ্ৰে ইভিএম মেশিনের সঙ্গে ভিভিপিএটি মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছে।

একজন ভোটার ক্ৰশ চেকিঙের মাধ্যমে তাঁর ভোট সঠিক জায়গায় পড়লো কিনা তা সাত সেকেন্ডের মধ্যে ভিভিপিএটি মেশিনে দেখতে পাবেন। অধিকাংশ কেন্দ্ৰ শাসক দল ও কংগ্ৰেসের মধ্যেই লড়াই হচ্ছে।

Next Story