Top
Begin typing your search above and press return to search.

রাফালে বিমান চুক্তি,জেপিসি গড়ার আহ্বান কংগ্ৰেসের

রাফালে বিমান চুক্তি,জেপিসি গড়ার আহ্বান কংগ্ৰেসের

Sentinel Digital DeskBy : Sentinel Digital Desk

  |  4 Sep 2018 11:27 AM GMT

গুয়াহাটিঃ ফ্ৰান্সে তৈরি রাফালে লড়াকু বিমান কেনা নিয়ে কংগ্ৰেস কেন্দ্ৰের বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের বিরুদ্ধে আক্ৰমণ আরও জোরদার করে তুলেছে। বিরোধী দল কংগ্ৰেস সোমবার এই ইস্যুতে গুয়াহাটি সহ দেশের ৯০টি শহরে সাংবাদিক সম্মেলন করে রাফালে লড়াকু বিমান কেনা নিয়ে এনডিএ সরকারের বিরুদ্ধে তাদের বক্তব্য তুলে ধরে।

গুয়াহাটির রাজীব ভবনে এদিন এআইসিসি-র সাধারণ সম্পাদক এবং প্ৰাক্তন কেন্দ্ৰীয় মন্ত্ৰী মুকুল ওয়াশনিক বলেন,‘কালো প্ৰতিরক্ষা চুক্তি রাফালে বিমান ক্ৰয়ে জড়িত সব মন্ত্ৰী ও সংস্থাগুলোকে তদন্তের আওতায় আনতে আমরা সরকারের কাছে যুগ্ম সংসদীয় কমিটি(জেপিসি)গড়ার দাবি জানিয়েছি’। তাছাড়া জেট বিমানগুলির মূল্য তালিকা জনসমক্ষে তুলে ধরতেও সরকারের কাছে আর্জি জানানো হয়েছে। ওই প্ৰতিরক্ষা চুক্তির পশ্চাৎপট সম্পর্কে ওয়াশনিক বলেন ‘ইউপিএ সরকার ২০১২ সালে ফ্ৰান্সে নির্মিত রাফালে বিমান কেনার জন্য একটি টেন্ডার ইস্যু করেছিল। ওই টেন্ডারে প্ৰতি বিমানের মূল্য ধরা হয়েছিল ৫২৬.১০ কোটি টাকা। ইউপিএ সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ১২৬টি লড়াকু বিমান কেনার। এর মধ্যে ১০৮টি এইচএএল এর মাধ্যমে এবং বাকি ১৮টি টেন্ডারের মাধ্যমে কিনতে চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু এনডিএ সরকার ২০১৫ সালে ইউপিএ ও ফ্ৰান্স সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তিটি বাতিল করে দেয়।

এনডিএ সরকার ওই একই বিমান ক্ৰয়ের জন্য নতুন করে চুক্তি করে এবং এতে প্ৰতি বিমানের মূল্য ট্যাগ ধরা হয় ১৬৭০.৭০ কোটি টাকা। মোদি সরকার জরুরি ভিত্তিতে ৩৬টি এজাতীয় বিমান কেনার সিদ্ধান্ত নেয়। এই ৩৬টি বিমানের মূল্য দাঁড়ায় ৬০,১৪৫ কোটি টাকা। কিন্তু ইউপিএ সরকারের ধার্য হার অনুযায়ী এই ৩৬টি বিমানের মূল্য আসলে ১৮,৯৪০ কোটি টাকা। কেন সরকার ৪১,২০৫ কোটি টাকা বেশি দিয়েছে? বিমান কেনা জরুরি বলে দেখিয়েছে কেন্দ্ৰ। আসলে ৩৬টি বিমান ভারতে আসছে ২০১৯-এর সেপ্টেম্বরে। বাকিগুলি আসবে ২০২২ সালে। সরকার এটা মেনে নিতে কেন রাজি হল? এটা একটা বড় প্ৰশ্ন।

‘আসলে এটা নয়। এনডিএ এইচএএলকে সরিয়ে রিলায়েন্স ডিফেন্স লিমিটেডকে(আরডিএল)বিমান কেনার পটভূমিতে নিয়ে এসেছে। প্ৰতিরক্ষা চুক্তিটির সময় আরডিএল-এর বয়স ছিল মাত্ৰ ১২ দিন’। সরকারের বিরুদ্ধে কিছু গুরুতর অভিযোগ এনে ওয়াশনিক বলেন,‘ওই চুক্তি করার সময় ক্যাবিনেট কমিটি অফ সিকিউরিটি(সিসিএস)-এর বিধি ব্যবস্থা লঙ্ঘন করা হয়েছে। চুক্তি স্বাক্ষরের সময় বিদেশ ও প্ৰতিরক্ষা মন্ত্ৰককেও আস্থায় নেওয়া হয়নি’। সভায় প্ৰদেশ কংগ্ৰেস প্ৰধান রিপুন বরাও উপস্থিত ছিলেন।

Next Story