সংবাদ শিরোনাম

স্বাস্থ্য পরিষেবায় গুণগত মান বজায় রাখায় গুরুত্ব কেন্দ্ৰীয় মন্ত্ৰী নাড্ডার

কেন্দ্ৰীয় মন্ত্ৰী নাড্ডা

গুয়াহাটিঃ স্বাস্থ্য হচ্ছে একটা স্পর্শকাতর বিষয়। তাই স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্ৰে গুণগত মান বজায় রাখাটা খুবই প্ৰয়োজন। একথা বলেন কেন্দ্ৰীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্ৰী জেপি নাড্ডা। মঙ্গলবার কাজিরঙায় তিন দিনের পঞ্চম ‘ন্যাশনাল সামিট অন গুড এন্ড রেপলিকেবল প্ৰ্যাকটিস ইন পাবলিক হেলথ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী সভায় ভাষণ দিচ্ছিলেন তিনি। অনুষ্ঠানে কেন্দ্ৰীয় মন্ত্ৰী বলেন,‘স্বাস্থ্য বক্ষায় দক্ষতা বৃদ্ধির ব্যাপারে আমাদের আরও যত্নশীল হওয়া উচিত। তাই আমাদের এটা দেখতে হবে স্বাস্থ্য রক্ষায় কীভাবে দক্ষতার বিকাশ ঘটানো যায়’। তিনি বলেন,দেশের স্বাস্থ্য রক্ষায় আমাদের ক্ষমতা,দুর্বলতা এবং চ্যালেঞ্জগুলিকে বুঝতে হবে এবং এর মাধ্যমেই স্বাস্থ্য পরিষেবা আমরা আরও উন্নত করতে পারবো।

স্বাস্থ্য ক্ষেত্ৰে ভারত কী ধরনের পারফরম্যান্স করছে তা দেখার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্ৰদায় প্ৰতীরক্ষায় রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি স্বাস্থ্য কর্মীদের প্ৰত্যাশার ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করার আহ্বান জানান। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সব প্ৰকল্পের চটজলদি রূপায়ণে তথ্য প্ৰযুক্তি ব্যাপক হারে ব্যবহার করারও আহ্বান জানিয়েছেন নাড্ডা। আয়ুষ্মান ভারত-প্ৰধানমন্ত্ৰী জন আরোগ্য যোজনার সফল রূপায়ণেও সরকারকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। স্বাস্থ্য বিভাগের নতুন প্ৰকল্পগুলির কথা উল্লেখ করে নাড্ডা বলেন,অ-সংক্ৰামক রোগের পরিমাণ হ্ৰাস করতে সরকারের তরফে চেষ্টা জারি রয়েছে। এই উদ্দেশ্যে সারা দেশে ১৫ হাজার স্বাস্থ্য ও কল্যাণ কেন্দ্ৰ স্থাপনের চেষ্টা চলছে-উল্লেখ করেন নাড্ডা।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রেখে মুখ্যমন্ত্ৰী সর্বানন্দ সোনোয়াল বলেন,রাজ্য সরকার স্বাস্থ্য ক্ষেত্ৰে অগ্ৰাধিকার দিচ্ছে। রাজ্যের মানুষের কাছে উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দিতে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। সম্মেলনে উপস্থিত প্ৰতিনিধিদের স্বাগত জানিয়ে সোনোয়াল বলেন,প্ৰধানমন্ত্ৰী নরেন্দ্ৰ মোদির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্ৰীয় সরকার অসম এবং উত্তর পূর্বাঞ্চলের স্বাস্থ্য ও অন্যান্য ক্ষেত্ৰগুলিতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে,যাতে করে দ্ৰুত উন্নয়নের অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছনো যায়।

রাজ্যের মানুষ যাতে উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা পান তার জন্য রাজ্য সরকার উচ্চ অগ্ৰাধিকার দিচ্ছে-বলেন মুখ্যমন্ত্ৰী। আয়ুষ্মান ভারত-প্ৰধানমন্ত্ৰী জন আরোগ্য যোজনা সফলভাবে সূচনা করার জন্য নাড্ডাকে অভিনন্দন জানিয়ে সোনোয়াল বলেন,স্বাস্থ্যরক্ষার ক্ষেত্ৰে দেশে যে সব স্কিম রূপায়ণ করা হচ্ছে সেব্যাপারে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বোধ গড়ে তুলতে হবে। কারণ এই সব প্ৰকল্পের মাধ্যমে মানুষ বিশেষভাবে উপকৃত হবেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্ৰী হিমন্তবিশ্ব শর্মা অনুষ্ঠানে বলেন,স্বাস্থ্য রক্ষা ও পরিষেবার ক্ষেত্ৰে রাজ্য উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়েছে। তিনি বলেন,২০০৬ সালে রাজ্যে যেখানে প্ৰসূতি মৃত্যুর হার ৪৮০ জন ছিল,২০১৮ সালে সেই হার কমে ২৩৬ জনে দাঁড়িয়েছে। চা বাগানের গর্ভবতী মহিলাদের পুষ্টিকর খাবারের ব্যবস্থা সহ স্বাস্থ্য রক্ষায় আর বেশকিছু প্ৰকল্প হাতে নিচ্ছে রাজ্য সরকার।