Top
Begin typing your search above and press return to search.

গুয়াহাটির বিভিন্ন স্থানে বসছে ৬০২৮টি উচ্চ প্ৰযুক্তির সিসিটিভি ক্যামেরা

গুয়াহাটির বিভিন্ন স্থানে বসছে ৬০২৮টি উচ্চ প্ৰযুক্তির সিসিটিভি ক্যামেরা

Sentinel Digital DeskBy : Sentinel Digital Desk

  |  3 Oct 2019 9:49 AM GMT

গুয়াহাটিঃ অপরাধী এবং ট্ৰাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের প্ৰতি নজরদারি বাড়াতে মহানগরী গুয়াহাটির প্ৰায় সর্বত্ৰ ৬,০২৮টি হাই ট্যাক(উচ্চ প্ৰযুক্তির)সিসিটিভি ক্যামেরা বসছে। এরমধ্যে ১,৩০৮টি সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে ট্ৰাফিক আইন ভঙ্গকারীদের প্ৰতি নজর রাখতে।

গুয়াহাটি স্মার্ট সিটি লিমিটেড(জিএসসিএল)হাই রিসোলিউশন এবং হাই ট্যাক লেন্সের অধীনে এ জাতীয় নজরদারির জন্য প্ৰয়োজনীয় যাবতীয় ব্যবস্থা গ্ৰহণ করেছে। এই প্ৰকল্প বাবদ খরচ হবে প্ৰায় ৬০৭ কোটি টাকা। শহরের বিভিন্ন স্থানে বসানো হবে সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো। মহানগরীর সমস্ত প্ৰবেশ পথের পয়েণ্টে ক্যামেরাগুলো বসানো হবে। সরকারের অনুমোদন পাওয়ার পরই শুরু হবে এ কাজ। মহানগরী গুয়াহাটির কলেবর বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি জনসংখ্যাও বেড়ে চলেছে। অপরাধজনিত ঘটনা ও ট্ৰাফিক আইন ভাঙার ঘটনাও বৃদ্ধি পাচ্ছে পাল্লা দিয়ে। তাই অপরাধী ও ট্ৰাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের লাগাম পরাতে এধরনের উচ্চ প্ৰযুক্তি সম্পন্ন নজরদারি ব্যবস্থা চালু করা অনিবার্য হয়ে পড়েছে। সূত্ৰটির মতে,৬০২৮টি সিসিটিভি ক্যামেরার নেটওয়র্ক ২৪ ঘণ্টা তদারকির জন্য শহরের পাঞ্জাবাড়িতে কণ্ট্ৰোল রুম থাকবে এবং এটি পরিচালনার জন্য ৫০ জন স্টাফ রাখা হবে। যে কোনও সময়ে পরিচ্ছন্ন ফুটেজ তুলে ধরবে ক্যামেরাগুলো। এলাকা ওয়াড়ি অপরাধের ঘটনাও চিহ্নিত করতেই উচ্চ প্ৰযুক্তির এই সব ক্যামেরা বসানো হচ্ছে।

ট্ৰাফিক পুলিশ এ শহরের ৯১টি স্থানে নজরদারির জন্য ২৯০টি সিসি টিভি ক্যামেরা বসিয়েছিল। এর মধ্যে ১০০টির বেশি ক্যামেরা বর্তমানে অকেজো পড়ে আছে। বর্তমানে শহরের বিভিন্ন পথে থাকা ক্যামেরাগুলো উচ্চ প্ৰযুক্তি সম্পন্ন না হওয়ায় সেগুলো বিভিন্ন ঘটনার ছবি স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে পারছে না।

তবে এবার ট্ৰাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের লাগাম পরাতে যে সব সিসিটিভি ক্যামেরা বসছে সেগুলো অত্যন্ত শক্তিশালী। একটি সূত্ৰের মতে,শুধু রেডলাইট সিগন্যাল ভঙ্গকারীদের চিহ্নিত করতে ৩১১টি সিসিটিভি ক্যামেরা বসছে।

৯৯৭টি ক্যামেরা হবে অটোমেটেড নম্বর প্লেট্ৰ রেকগনিশন সিস্টেমের এবং ৮৯টি অটোমেটেড ট্ৰাফিক সিগন্যাল ভায়োলেশনের জন্য। কেউ রেডলাইট সিগন্যাল ভঙ্গ করছেন কি না কন্ট্ৰোল রুমে তা চিহ্নিত করা যাবে এবং ওখান থেকেই সংশ্লিষ্ট ট্ৰাফিক পুলিশ স্টেশনে বার্তা পাঠানো হবে আইন লঙ্ঘনকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্ৰহণের জন্য।

এই প্ৰকল্প রূপায়ণের জন্য টেকনিক্যাল কমিটি ইতিমধ্যেই গঠন করা হয়েছে। গৃহ ও রাজনৈতিক বিভাগের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব,অতিরিক্ত মুখ্য সচিব,গুয়াহাটি উন্নয়ন বিভাগ,জিএসসিএল-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর,জিএমসি কমিশনার,আমট্ৰন-এর এমডি এবং অতিরিক্ত ডিজিপিকে(মর্ডারনাইজেশন অ্যান্ড লজিস্টিক)নিয়ে গঠন করা হয়েছে এই কমিটি।

অন্যান্য খবরের জন্য পড়ুনঃ অসম ও উত্তরপুর্বে ক্যাব চাপাতে পারে না কেন্দ্ৰঃ আসু

অধিক খবরের জন্য ভিডিও দেখুন: Durga Puja 2019: Watch Durga Preparations at Ugratara Devalaya in Guwahati

Next Story