Top
Begin typing your search above and press return to search.

অটল অমৃত অভিযানের আওতায় আরও ছটি রোগ

অটল অমৃত অভিযানের আওতায় আরও ছটি রোগ

Sentinel Digital DeskBy : Sentinel Digital Desk

  |  24 Oct 2019 10:09 AM GMT

গুয়াহাটিঃ রাজ্যের স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ দপ্তরের মন্ত্ৰী হিমন্তবিশ্ব শর্মা বুধবার ঘোষণা করেছেন অটল অমৃত অভিযানে আমজনতার স্বাস্থ্য বিমার পরিসর আরও বৃদ্ধি পেলো। অটল অমৃত স্বাস্থ্য বিমান অভিযানের পরিসর বৃদ্ধি হওয়ায় ক্যান্সার রোগীরাও আরও স্বস্থি পাবেন। প্ৰতি বছর রাজ্যে প্ৰায় ৩০ হাজার ক্যান্সার আক্ৰান্তের সংখ্যা নথিভুক্ত হচ্ছে। এই অভি্যানের পরিসর বৃদ্ধি হওয়ায় আরও ছয় ধরনের রোগকে এর আওতায় আনা হচ্ছে। আগামি ১ নভেম্বর থেকে রাজ্যের সমস্ত সরকারি হাসপাতালে অটল অমৃত যোজনার এই বর্ধিত পরিসর কার্যকর হচ্ছে। বর্তমানে এই যোজনায় ছটি রোগের ক্ষেত্ৰে বার্ষিক দুলক্ষ টাকার বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। এখন অটল অমৃত অভিযানের অধীনে দুলক্ষ টাকা বিমার আওতায় থাকা কার্ডধারী রোগীরা আরও ছটি রোগের চিকিৎসা সুবিধা পাবেন বিনামূল্যে।

শর্মা বুধবার এখানে সাংবাদিকদের বলেন,এই অভিযান চালু হওয়ার পর থেকে রাজ্যের মোট ৬০ হাজার মানুষ-এর সুবিধা লাভ করেছেন। অভিযানের অধীনে এই ৬০ হাজার মানুষের চিকিৎসায় সরকার ১৪০ কোটি টাকা ব্যয় করেছে।

বর্তমানে হৃদরোগ,স্নায়ুরোগ,আগুনে পোড়া,কিডনি,ক্যান্সার,নবজাতকের রোগ-এই ছয় ধরনের রোগের ক্ষেত্ৰে স্বাস্থ্য বিমা প্ৰকল্পের সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। এখন আরও ছটি রোগকে এর আওতায় আনা হচ্ছে। এগুলো হচ্ছে ট্ৰমা(যেকোনও ধরনের দুর্ঘটনাজনিত চিকিৎসা),আইসিইউতে থাকা রোগী,শিশুদের জটিল চিকিৎসা ও অস্ত্ৰোপচার,বোন মেরো প্ৰতিস্থাপন,জাপানি এনকেফেলাইটিস এবং একুইট এনকেফেলাইটিস সিনড্ৰোম। উল্লিখিত এই ছটি রোগের ক্ষেত্ৰেও এখন অটল অমৃত অভিযানের সুবিধা উপলব্ধ হচ্ছে। বেসরকারি হাসপাতালেও এই যোজনার সুবিধা পাওয়া যাবে এক মাস পরে। কারণ একমাসের মধ্যেই আমরা রোগীদের এই সুবিধা দেওয়ার স্বার্থে বেসরকারি হাসপাতালগুলির সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি(মৌ)স্বাক্ষর করবো-বলেন শর্মা।

মন্ত্ৰী আরও বলেন,জাপানি এনকেফেলাইটিস এবং একুইট এনকেফেলাইটিস সিনড্ৰোমের চিকিৎসা রাজ্যে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করা হচ্ছে।

‘জাপানি এনকেফেলাইটিসের চিকিৎসায় অ্যাডাল্ট ভ্যাক্সিনেশনের জন্য আমাদের আরও একটা বছর অপেক্ষা করতে হবে। বিশ্বে এজাতীয় ভ্যাক্সিনের একমাত্ৰ উৎপাদক হচ্ছে চিন। তারা আমাদের চাহিদা মতো ওই প্ৰতিষেধক ভ্যাক্সিন সরবরাহ করতে পারছে না। আমরা ২.৫ কোটি ভ্যাক্সিনের অর্ডার দিয়েছি। উৎপাদক দেশ চিন আমাদের জানিয়েছে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে তারা ২৫ লক্ষ ভ্যাক্সিন সরবরাহ করবে। বাকি ভ্যাক্সিন সরবরাহ করবে ২০২০-র জুলাইয়ে’।

উত্তর গুয়াহাটিতে এইমস নির্মাণের অগ্ৰগতি সম্পর্কে শর্মা বলেন,রাজ্য সরকার প্ৰকল্পের ২৫ শতাংশ কাজ শেষ করতে ২৫০ কোটি টাকা খরচ করেছে। বাকি খরচ কেন্দ্ৰীয় সরকার বহন করবে। ২০২১-এ এইমস কর্মক্ষম হয়ে উঠবে বলে আমরা আশা করছি-উল্লেখ করেন শর্মা।

অন্যান্য খবরের জন্য পড়ুনঃ নিরাপদ থেকে দীপাবলি পালনের আহ্বান কামরূপ জেলাশাসকের

অধিক খবরের জন্য ভিডিও দেখুন: SMSS to protest against Citizenship Amendment Bill

Next Story