সংবাদ শিরোনাম

মাশুল কাঠামো নির্ধারণে কেন্দ্ৰের প্ৰস্তাবে অসমের মেডিক্যাল পড়তে ইচ্ছুক প্ৰার্থীদের স্বস্তি

অসম

 

গুয়াহাটিঃ কেন্দ্ৰীয় সরকার আগামি বর্ষ থেকে বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও ডিমড বিশ্ববিদ্যালয়ে মাশুল কাঠামোর খসড়া নির্দেশিকা প্ৰস্তুত করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার খবরে অসমে মেডিক্যাল পড়তে ইচ্ছুক শতাধিক প্ৰত্যাশী প্ৰার্থী ও তাদের অভিভাবকদের জন্য স্বস্তির বার্তা বয়ে এনেছে। প্ৰতি বছরই অসমের বহু ছাত্ৰ ছাত্ৰী চিকিৎসা বিজ্ঞানে অধ্যয়নের জন্য দেশের বিভিন্ন প্ৰান্তের মেডিক্যাল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। এই সমস্ত ছাত্ৰ-ছাত্ৰীদের মেডিক্যালে পড়াশোনা করার জন্য বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলোতে মোটা অঙ্কের টাকা ফি হিসেবে চুকোতে হয়। এমনও উদাহরণ রয়েছেন যে অভিভাবকরা তাদের ছেলেমেয়েকে ডাক্তার বানানোর জন্য ৪৫ থেকে ৫৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত খরচ করে থাকেন।

মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার(এমসিআই)বোর্ড অফ গভর্নরসের(বিওজি)উদ্দেশে সম্প্ৰতি লেখা এক চিঠিতে কেন্দ্ৰীয় স্বাস্থ্য মন্ত্ৰক বলেছে,কমিশন তাদের সংবিধানের ভিত্তিতে বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলিতে মাশুল নির্ধারণে একটি নির্দেশিকা প্ৰস্তুত করবে,যা কার্যকর হবে ২০২১-২২ শিক্ষা বর্ষ থেকে। ‘এনএমসি অ্যাক্ট-২০১৯-এর উল্লেখ অনু্যায়ী এটা চাওয়া হয়েছিল যে ৫০ শতাংশ বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও ডিমড বিশ্ববিদ্যালয়ে মাশুল নির্ধারণে বিওজি খসড়া গাইডলাইন প্ৰস্তুত করতে পারে এবং এটা হলে কমিশন তাদের সংবিধানে এই বিষয়টিকে কাজে লাগাতে পারবে এবং আগামি ২০২১-২২ শিক্ষা বর্ষ থেকে ইউজি এবং পিজি মেডিক্যাল অ্যাডমিশনে তা বলবৎ করা যাবে’-বলা হয়েছে চিঠিতে।

রাজ্যের মেডিক্যাল কলেজের প্ৰাক্তন অধ্যাপক ড.আফতাব আলি,(যিনি রাজ্যের অনেকগুলি মেডিক্যাল কলেজে কাজ করেছেন)বলেন,কেন্দ্ৰের এই প্ৰস্তাবে মেডিক্যাল পড়তে ইচ্ছুক যে সব গরিব মেধাবি ছাত্ৰ এত টাকা মাশুল দেওয়ার ক্ষমতা নেই তারা উপকৃত হবে বলে আশা করা যায়। তিনি উল্লেখ করেন,গরিব ঘর থেকে উঠে আসা মেধাবি ছাত্ৰরা সেরা ডাক্তার হয়ে সমাজের সেবা করার শতাধিক উদাহরণ রয়েছে।

‘কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞানে শিক্ষা গ্ৰহণের খরচ আমাদের দেশে দিনদিনই বৃদ্ধি পাচ্ছে যা সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক। সমাজে একজন সেরা ডাক্তারকে উপস্থাপন করতে হলে চিকিৎসা বিজ্ঞানে শিক্ষা গ্ৰহণের খরচ যুক্তিপূর্ণ এবং সাধ্যের মধ্যে হওয়া উচিত’-বলেন ডা.আলি।

একজন সরকারি কর্মী হিতেশ মেধি বলেন,তাঁর ছেলে ডাক্তার হতে মরিয়া। ‘যদি আমার ছেলে সরকারি মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হওয়ার সু্যোগ না পায় তখন তাঁকে বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করতে বাধ্য হবো। তাই আমি আশা করছি কেন্দ্ৰীয় সরকার মাশুল কাঠামোটা যুক্তিপূর্ণ করবে’-বলেন মেধি।

 

অন্যান্য খবরের জন্য পড়ুনঃ রাজ্যের ১০০৮টি ধর্মীয় স্থানের সংরক্ষণ ও শোভাবর্ধনে ব্যবস্থা নিচ্ছে দিশপুর

অধিক খবরের জন্য ভিডিও দেখুন: Deuri Magh Bihu Celebrations begin in Dhemaji