বিনোদন

মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সচেতনতা সৃষ্টির জন্য ক্ৰিস্টাল পুরস্কারে সম্মানিত দীপিকা পাড়ুকোণ

বিনোদন

 

মানসিক স্বাস্থ্যজনিত ক্ষেত্ৰে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য ক্ৰিস্টাল পুরস্কার পেলেন বলিউড অভিনেত্ৰী দীপিকা পাড়ুকোণ। সুইজারল্যান্ডের দাভোসে এই পুরস্কারে সম্মানিত করা হয় বলিউড অভিনেত্ৰীকে। সমাজ এবং সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিতে উদ্যোগ নেওয়া অভিনেত্ৰী,অভিনেতা এবং নেতাদের এই মর্যাদাসম্পন্ন পুরস্কার দেওয়া হয়,যিনি নিজে যোগদান করে বিশ্বে পরিবর্তন আনতে সাহা্য্য করে থাকেন। এই সম্মান অর্জনের পর অভিনেত্ৰী দীপিকা পাড়ুকোণ বলেন,‘ভালবাসা ও ঘৃণা আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। তাই দুস্থ ও পীড়িত মানুষের উদ্দেশে আমি এটাই বলতে চাই যে আপনারা কখনো নিজেকে একা ও নিঃস্ব বলে মনে করবেন না। দীপিকা নিজের জীবনের হতাশার কথা ব্যক্ত করেন। এই হতাশা কাটিয়ে উঠতে তাঁর মা-বাবা এবং প্ৰিয়জনেরা কিভাবে তাঁকে সাহায্য করেছিলেন সেকথা উল্লেখ করতেও ভোলেননি দীপিকা।

তিনি বলেন,‘হতাশা বা অবসাদ অন্য সাধারণ রোগের মতোই। তবে এটা বুঝতে হবে যে হতাশা বা অবসাদ অন্যান্য সাধারণ রোগ ব্যাধির মতোই এবং এর চিকিৎসাও সম্ভব। হতাশা ও অসুস্থতার অভিজ্ঞতাই জীবনকে ভালোবেসে উপস্থাপন করতে আমায় সাহায্য করেছিল’।

কিছুদিন আগে এক সাক্ষাৎকারে নিজের কন্যা দীপিকা সম্পর্কে তাঁর মা উজ্জ্বালা পাড়ুকোণ বলেছিলেন,‘আমি দীপিকার হতাশার বিষয়টি লক্ষ্য করেছিলাম এবং ভেবেছিলাম প্ৰেম সম্পর্কিত কোনও কথার জন্যই হয়তো এমনটা হয়েছে ওর। তখনই আমি বুঝেছিলাম হতাশা একটা মানসিক অবসাদ। এরপরই আমরা মনোরোগ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম’। দীপিকার বাবা প্ৰকাশ পাড়ুকোণ বলেন,‘আমি দীপিকার স্বাস্থ্য নিয়ে খুবই চিন্তিত ছিলাম এবং ও যাতে শীঘ্ৰ সুস্থ হয়ে ওঠে মনে মনে চেয়েছিলাম সেটা’।

এদিকে পুরস্কার গ্ৰহণের দৃশ্য দীপিকা তাঁর সোশিয়েল মিডিয়া যোগে প্ৰচার করেছেন। পুরস্কারের সঙ্গে নিজের ফোটো শেয়ার করে লিখেছেন ‘ক্ৰিস্টাল পুরস্কার ২০২০ পেয়ে আমি অভিভূত’। দীপিকার এই পোস্ট খুব অল্প সময়ের মধ্যে ১০ হাজারের বেশি লাইক পেতে সমর্থ হয় এবং অনুরাগীরা তাঁকে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন। দীপিকার এই পুরস্কার জয়ে অনুরাগীদের মনে উৎসাহের সঞ্চার করেছে।

 

অন্যান্য খবরের জন্য পড়ুনঃ ক্যা নিয়ে সেলিব্ৰেটিদের অভিপ্ৰায় এবং বিভ্ৰান্তি

অধিক খবরের জন্য ভিডিও দেখুন: Inauguration Ceremony for ONCO Premier League 2.0 Cricket Tournament at B.Borooah Cancer Institute.