Top
Begin typing your search above and press return to search.

হিমন্তবিশ্ব শর্মার লেখা ‘ভিন্ন সময় অভিন্ন মত’ গ্ৰন্থ উন্মোচিত

হিমন্তবিশ্ব শর্মার লেখা ‘ভিন্ন সময় অভিন্ন মত’ গ্ৰন্থ উন্মোচিত

Sentinel Digital DeskBy : Sentinel Digital Desk

  |  4 Nov 2019 12:15 PM GMT

গুয়াহাটিঃ রাজ্যের অর্থমন্ত্ৰী ড.হিমন্তবিশ্ব শর্মার লেখা বই ‘ভিন্ন সময় অভিন্ন মত’ রবিবার দিশপুরে পিডব্লিউডি কনভেনশন অ্যান্ড ট্ৰেনিং সেন্টারে উন্মোচন করা হয়। অসম সাহিত্য সভার প্ৰাক্তন সভাপতি ড. ধ্ৰুবজ্যোতি চৌধুরী এবং অসম মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড.মালিনী গোস্বামী গ্ৰন্থ উন্মোচনে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

লেখালেখির প্ৰতি নিজের আসক্তিকে শেয়ার করে হিমন্তবিশ্ব শর্মা বলেন,‘সমাগত সময়’ ছিল আমার প্ৰথম গ্ৰন্থ। ওই সময়ে আমার চিন্তাভাবনাকে বইয়ের আকারে প্ৰকাশ করার ভাবনা আমার মনে কখনও উদয় হয়নি। ‘রাজনৈতিক অঙ্গনে আমার বিচরণ যদিও ওই সময়টাতে আমি রাজনীতি থেকে দূরে সরেছিলাম। তাই নিজের মনের ভাবনা চিন্তাকে বইয়ে তুলে ধরার সময় পেয়েছিলাম আমি। তবে পাঠকদের কাছ থেকে অসীম সমর্থন ও ইতিবাচক সাড়া আমাকে অনুপ্ৰাণিত করে। ‘ভিন্ন সময় অভিন্ন মত’-এ আসমিয়া মানুষের রক্ষা কবচের জন্য কোন পথ নেওয়া উচিত সে ব্যাপারে আমি আমার মতামত তুলে ধরার চেষ্টা করেছি বইয়ে’।

শর্মা আরও বলেন,‘ভাষা ভিত্তিক উগ্ৰ জাতীয়তাবাদ আমাদের এগিয়ে যেতে কতটা সাহা্য্য করবে যদি আমরা কার্বি,বোড়ো,মিশিং এবং অন্যদেরকে অসমিয়া বলে না ধরি। বাংলা ভাষীরা অসমিয়া নন বলে যদি মনে করি। বছরের পর বছর অসমে থাকা কেউ জৈন,আগরওয়ালা উপাধি লিখলে তাদের অ-অসমিয়া বলে ধরি। অসমিয়া ভাষাটা হচ্ছে আমাদের বৃহৎ সংস্কৃতিরই একটা অংশ। তাই ভাষা ভিত্তিক উগ্ৰ জাতীয়তাবাদ আখেরে আমাদের কোনও পথ দেখাবে না। এটা পুরো সমাজটাকে শুধু কাঁদাবে’।

তিনি বলেন,অসমিয়া ভাষার রক্ষা কবচের ব্যবস্থা করা নিয়ে খেয়োখেয়ির কোনও যুক্তি নেই। রাজ্যের উপজাতি সমাজ এবং যারা বিভিন্ন সময়ে অন্যান্য স্থান থেকে দেশের এই প্ৰান্তে এসে বসবাস করছেন তাদের প্ৰতি আমাদের অনেক বেশি উদার হতে হবে। আমরা তাদের প্ৰতি উদার হলে দেখা যাবে প্ৰত্যেকেই জনগণনায় নিজের ভাষা অসমিয়া বলেই লেখাবেন। একটা সময় আসবে যখন প্ৰত্যেকেই জোরগলায় নিজেকে অসমিয়া বলে পরিচয় দেবেন। তখন দেখা অসমিয়া ভাষীরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ’। এই বইয়ে আমার চিন্তাভাবনা সম্পর্কে কিছু নিবন্ধ উপস্থাপন করেছি আমি। মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মালিনী গোস্বামী বইটিকে অসমের ঐতিহাসিক নথি বলে অভিহিত করেন।

অন্যান্য খবরের জন্য পড়ুনঃ তামুলপুরে বুনো হাতির আক্ৰমণে হত ২

অধিক খবরের জন্য ভিডিও দেখুন: Assam Martial Arts shines at World Martial Arts Games 2019 in London

Next Story