Top
undefined
Begin typing your search above and press return to search.

মধ্যপ্ৰদেশে চরম সংকটে কংগ্ৰেস সরকার,২১ বিধায়ক সহ বিজেপিতে যাচ্ছেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া

মধ্যপ্ৰদেশে চরম সংকটে কংগ্ৰেস সরকার,২১ বিধায়ক সহ বিজেপিতে যাচ্ছেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া

Sentinel Digital DeskBy : Sentinel Digital Desk

  |  11 March 2020 10:23 AM GMT

২১ জন বিধায়ক সহ জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া কংগ্ৰেস ছাড়ায় মধ্যপ্ৰদেশে গভীর সংকটের সম্মুখীন হয়েছে কংগ্ৰেস সরকার। মধ্যপ্ৰদেশের সরকারকে সংকটের মুখে ঠেলে দিয়ে দলের বরিষ্ঠ নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া বিজেপিতে যোগদান নিশ্চিত করেছেন। গত সোমবার রাত থেকে চলা রাজনৈতিক নাটককে মঙ্গলবার চূড়ান্ত রূপ দিয়ে প্ৰভাবশালী নেতা সিন্ধিয়া দলত্যাগ করেন। দল ছাড়ার ইস্তফাপত্ৰ টুইটারে আপলোড করার সঙ্গে সঙ্গে দলবিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভি্যোগে কংগ্ৰেস সভানেত্ৰী সোনিয়া গান্ধী সিন্ধিয়াকে দল থেকে বহিষ্কার করেন। অন্যদিকে,সিন্ধিয়ার অনুগামী ২১ জন কংগ্ৰেস বিধায়কও দলত্যাগ করেছেন। এরফলে গভীর সংকটের মুখে পড্ৰেছে রাজ্যের কংগ্ৰেস সরকার। এমন কি রাজ্যের কংগ্ৰেস সরকারের পতনও প্ৰায় নিশ্চিত হয়ে পড়েছে। অবশ্য প্ৰাক্তন মুখ্যমন্ত্ৰী তথা বরিষ্ঠ কংগ্ৰেস নেতা দিগ্বিজয় সিং দাবি করেছেন যে কমল নাথ সরকার শক্তি পরীক্ষায় উতরে যেতে সক্ষম হবে। গত কিছুদিন ধরে মধ্যপ্ৰদেশে কংগ্ৰেস তথা কমল নাথ সরকারে বিবাদ বিতর্কের সৃষ্টি করে আসা সিন্ধিয়া মঙ্গলবার দিল্লিতে প্ৰধানমন্ত্ৰী নরেন্দ্ৰ মোদির সঙ্গে দুদুবার সাক্ষাৎ করেন। দলীয় সূত্ৰের মতে,সিন্ধিয়ার পক্ষে সমর্থনের হাত বাড়িয়েছেন মধ্যপ্ৰদেশের একাধিক মন্ত্ৰী সহ কমপক্ষেও ২১ জন বিধায়ক। এদের মধ্যে অধিকাংশকে মঙ্গলবার বিজেপি শাসিত কর্নাটক স্থানান্তর করা হয়।

তখন থেকেই তাঁদের মোবাইল ফোনের স্যুইচ অফ থাকায় কংগ্ৰেস নেতৃত্ব এঁদের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করতে পারেননি। বিজেপি সূত্ৰের প্ৰকাশ করা তথ্য অনু্যায়ী,আজ দিনের ১২.৩০ নাগাদ সিন্ধিয়া দলের রাষ্ট্ৰীয় সভাপতি প্ৰকাশ নাড্ডা অথবা স্বরাষ্ট্ৰমন্ত্ৰী অমিত শাহর উপস্থিতিতে বিজেপিতে যোগদান করবেন। উল্লেখ্য যে মধ্যপ্ৰদেশের দুটি আসনে শীঘ্ৰই রাজ্যসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বিজেপি এই দুটি আসন কব্জা করার লক্ষ্য স্থির করেছে। এর একটি আসনে সিন্ধিয়াকে প্ৰার্থী করার ছক কষেছে বিজেপি। পরে তাঁকে কেন্দ্ৰীয় মন্ত্ৰিসভায় ঠাঁই দেওয়ারও পরিকল্পনা রয়েছে বিজেপির। এধরনেরই একটা হিসেব করে স্বরাষ্ট্ৰমন্ত্ৰী শাহ এবং দুই কেন্দ্ৰীয় মন্ত্ৰী ধর্মেন্দ্ৰ প্ৰধান ও নরেন্দ্ৰ সিং টোমার রাজ্যে এই সার্জিক্যাল স্ট্ৰাইক চালান।

তবে এক্ষেত্ৰে মধ্যপ্ৰদেশ বিজেপি অন্ধকারে রয়েছে বলে দলীয় সূত্ৰে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে,শাহ,প্ৰধান ও টোমারের ওই রাজনৈতিক সমীকরণ সফল করে তোলেন গান্ধী পরিবারের এককালের বিশ্বস্ত অনুগত সিন্ধিয়া। উল্লেখ্য যে ২০১৮ শেষপাদে অনুষ্ঠিত মধ্যপ্ৰদেশ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকে খুবই অসন্তুষ্ট ছিলেন সিন্ধিয়া। দেড় বছর আগে সরকার গঠনের সময় থেকে মুখ্যমন্ত্ৰী নাথের সঙ্গে সিন্ধিয়ার ঠাণ্ডা লড়াই চলছিল। এদিকে,এককালের বিচক্ষণ কংগ্ৰেস নেতা প্ৰয়াত মাধব রাও সিন্ধিয়ার ছেলে জ্যোতিরাদিত্য বিজেপি মুখী হওয়ায় শুধু কংগ্ৰেসই নয়,সারা বিরোধী শিবিরে আলোড়ন সৃষ্টির বিষয়টি নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

২৩১ আসন বিশিষ্ট মধ্যপ্ৰদেশ বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য ১১৬ জন বিধায়কের প্ৰয়োজন। নাথ সরকারের প্ৰতি দলীয় ও নির্দল সহ ১২০ জন বিধায়ক সমর্থন জানিয়েছিলেন। এহেন পরিস্থিতিতে অনুগত সহ সিন্ধিয়া বিজেপিমুখী হওয়ায় রাজ্যে বাঁকাপথে হলেও ফের বিজেপি-র ক্ষমতায় আসাটা এক প্ৰকার নিশ্চিত বলে মনে করা হচ্ছে।

অন্যান্য খবরের জন্য পড়ুনঃ করোনা ভাইরাসঃ আক্ৰান্ত মার্কিন পর্যটকের সান্নিধ্যে আসা লোকেদের খোঁজ এখনও চলছে রাজ্যে

অধিক খবরের জন্য ভিডিও দেখুন: Minor girl drowns in Kopili River in Nagaon’s Kampur

Next Story