Begin typing your search above and press return to search.

আধ্যাত্মিকতাবাদই ভারতের মূল্যবান উপহার বিশ্বকে,বললেন রাষ্ট্ৰপতি রামনাথ কোবিন্দ

আধ্যাত্মিকতাবাদই ভারতের মূল্যবান উপহার বিশ্বকে,বললেন রাষ্ট্ৰপতি রামনাথ কোবিন্দ

Sentinel Digital DeskBy : Sentinel Digital Desk

  |  3 Feb 2020 12:46 PM GMT

হায়দরাবাদঃ আধ্যাত্মিকতাবাদই তামাম বিশ্বকে ভারতের অত্যন্ত মূল্যবান উপহার। রবিবার একথা বলেছেন রাষ্ট্ৰপতি রামনাথ কোবিন্দ। তিনি বলেন,বেদান্ত,তীর্থঙ্কর মহাবীর এবং গৌতম বুদ্ধ থেকে নানক,কবির-এর বাণী সারা বিশ্বের সামনে আধ্যাত্মিকতাবাদের এক ধারাকে জন্ম দিয়েছে। আধুনিক বিশ্বে স্বামী বিবেকানন্দ,মহাত্মা গান্ধী সহ আরও অনেকে ভারতের সেই মহান অধ্যাত্ম্যবাদের ধারা বিশ্বময় বিলিয়ে দিয়েছেন। এরকম আর অনেক বিদগ্ধ মনীষী রয়েছেন যাঁরা ভারতের আধ্যাত্মিকতাবাদকে বিশ্বজুড়ে প্ৰচার করে গড়েছেন নজির।

হায়দরাবাদের কাছে শ্ৰী রামচন্দ্ৰ মিশন-এর নতুন গ্লোবাল হেডকোয়ার্টার ‘কানহা শান্তি ভানাম’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দিচ্ছিলেন রাষ্ট্ৰপতি। তিনি উল্লেখ করেন,ভারতের আধ্যাত্মিক পরম্পরা ‘পরমার্থ’ এবং ‘পরোপকার’ পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত। এর মাধ্যমে মানুষের মধ্যে মানবিক সম্পর্ক ও সত্যকে প্ৰতিষ্ঠিত করতে চাওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত বিবর্তন ছাড়াও ভারতের আধ্যাত্মিকতাবাদের পরম্পরা ‘বসুদেবায় কুটুম্বকম’ এবং ‘সর্বে ভবেন্তু সুখীনাহ’-এর প্ৰতি আলোকপাত করেছে। আমাদের কাছে সারা বিশ্বই একই মানবতার সুতোয় গাথা একটা নিরেট পরিবার। আমরা চাই এই গ্ৰহে বসবাসকারী প্ৰত্যেকের সুখ-শান্তি। বিশ্ব পরিবারের প্ৰতি এই সুখের বার্তার দিশারি শ্ৰী রামচন্দ্ৰ মিশনও।

বিশ্বের সর্ববৃহৎ এই ধ্যান কেন্দ্ৰের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সম্প্ৰতি ৪০ হাজারের বেশি মানুষের উপস্থিতিতে বক্তব্য রাখছিলেন রাষ্ট্ৰপতি। বৃহত্তম এই ধ্যান কেন্দ্ৰটি রয়েছে কানহা শান্তিভানামের মধ্যে। রাষ্ট্ৰপতি বলেন,রামচন্দ্ৰ মিশনের আদিগুরু লালজি মহারাজ-এর জন্ম বার্ষিকী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পেরে তিনি অত্যন্ত সুখী হয়েছেন। ’শ্ৰী রামচন্দ্ৰ মিশনের ৭৫তম প্ৰতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠান আয়োজন প্ৰকৃতার্থেই একটা আনন্দ ঘন মুহূর্ত। ‘বিশ্বের ১৫০টিও বেশি দেশে ভারতের আধ্যাত্মিকতাবাদকে তুলে ধরার ক্ষেত্ৰে মিশন একটা শক্তিশালী মাধ্যমের ভূমিকা পালন করে চলায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত’।

কোবিন্দ বলেন,দুঃশ্চিন্তা,অনিশ্চয়তা,নিরাপত্তাহীনতা এবং হানাহানি যখন সারা বিশ্বকে ঘিরে ধরেছে সে সময় শ্ৰী রামচন্দ্ৰ মিশনের মতো প্ৰতিষ্ঠান ওই সমস্ত অশুভ প্ৰবণতার মোকাবিলা করছে দায়িত্বের সঙ্গে এবং একাজে তারা অনেকটা সফলও হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন,উত্তর প্ৰদেশের ফতেগড়ের রামচন্দ্ৰ মহারাজকে লালাজি বলে স্মরণ করা হয়ে থাকে। তিনিই এই আধ্যাত্মিক প্ৰতিষ্ঠানটি শুরু করেছিলেন। পরে শাহজাহানপুরের রামচন্দ্ৰ প্ৰতিষ্ঠানটিকে এগিয়ে নিয়ে য়ান,যাকে শ্ৰদ্ধার সঙ্গে বাবুজি মহারাজ হিসেবে স্মরণ করা হয়। তিনি বলেন,রামচন্দ্ৰ মিশন ব্যক্তি বিশেষ এবং সমাজ পরিবর্তনে কাজ করে চলেছে। মিশন আধুনিক বিশ্বে পুরনো মহান পরম্পরা রাজযোগ মিশনের উন্নতি কল্পে কাজ করছে।

অন্যান্য খবরের জন্য পড়ুনঃ অসমিয়া ভাষাকে বিশ্ব সাহিত্যের অঙ্গনে তুলে ধরার লক্ষ্য অসম সাহিত্য সভার

অধিক খবরের জন্য ভিডিও দেখুন: Chamber Premiere League 10 begins in Tinsukia from Sunday

Next Story