ন্যাশনাল

২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে সুরক্ষা প্ৰদানে ফেসবুক কি পদক্ষেপ গ্ৰহণ করেছিল?

লোকসভা নির্বাচনে
Source: Google

নির্বাচনের সময় ভুয়া খবরের অধিক সম্প্ৰচার হতে দেখা যায়। সমাজে বিভিন্ন জনের মতামতের ওপর সৃষ্টি হওয়া মতানৈক্য গোটা সমাজে ছড়িয়ে পড়ে। এমন সময়ে একাংশ নিজের স্বার্থ পূরণের জন্য সুবিধা গ্ৰহণ করে ভুয়া খবর প্ৰচার করে। বিশেষ করে রাজনীতি এবং বিভিন্ন দল সম্পর্কে ভুয়া তথ্য এবং ভুয়া খবর সম্প্ৰচার করে ওই একাংশ লোক। সবক্ষেত্ৰে একই প্ৰতিচ্ছবি পরিলক্ষিত হয়। আমেরিকা থেকে বাংলাদেশ অবধি মানুষ ভুয়া খবর ছড়িয়ে তার অপব্যবহার করে।

ভুয়া খবরের মাধ্যমে বিভিন্ন সাম্প্ৰদায়িক সংঘর্ষ সৃষ্টি হতে দেখা যায় এবং সৃষ্টি হয় এক অরাজক পরিস্থিতির। এমন অনেক উদাহরণ আছে,যা ইতিমধ্যেই আপনারা পড়েছেন। ভুয়া খবর,অসম্পাদিত ভিডিও,মিথ্যে ইত্যাদি কোনও রাজনৈতিক দলের এজেন্ডায় সন্নিবিষ্ট করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেয়। এধরনের আকর্ষণমূলক খবর বিভিন্ন ভোটারদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া পরিলক্ষিত হয়।

ভুয়া খবর সম্প্ৰচার হওয়ার ক্ষেত্ৰে ফেসবুক যথেষ্ট সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে। সেইজন্য ফেসবুকে অনেক ভুয়া খবর ও ভুয়া তথ্য অধিক সম্প্ৰচারিত হয়। ব্যাপক সংখ্যক মানুষ খবরগুলোর সত্যতা যাচাই করেন না। তারা ওপরে ওপরে খবরটি পড়ে তা শেয়ার করেন। সমাজে এধরনের কাণ্ড থেকেই হিংসা ছড়িয়ে পড়ে। সেইহেতু ভুয়া খবর প্ৰচার ও ছড়ানো বন্ধ করতে হবে। ফেসবুক এসম্পর্কে ইতিমধ্যেই ব্যবস্থা গ্ৰহণ করেছে।

২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের সময়ও ভুয়া খবর বন্ধ করার ক্ষেত্ৰে বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্ৰহণ করা হয়েছিল

  • ভুয়া খবর,চিহ্নিতকরণে ফেসবুক ভারতের বিভিন্ন মিডিয়া কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করেছিল। শুধু তাই নয়,এর সঙ্গে বহু আঞ্চলিক ভাষায়ও সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছিল।
  • ফেসবুক ফ্যাক্ট-চেকিং থার্ড পার্টি কর্মসূচি প্ৰকাশ করে। এই কর্মসূচি ভুয়া খবর চিহ্নিত করতে সাহায্য করেছে। ব্যবহারকারীদের সুরক্ষার জন্য ভুয়া গ্ৰুপ এবং অ্যাকাউন্ট সমূহে এর মাধ্যমে ফেসবুক বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছিল। নোংরা রাজনীতিকে বাইরে রাখতে এই ব্যবস্থা গ্ৰহণ করা হয়েছিল।
  • ভারতীয় মিডিয়া কোম্পানির সঙ্গে সহযোগিতা করে বিশেষজ্ঞ দল নিয়োগ করা হয়েছিল। একইসঙ্গে তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করা ভুয়া খবরের সঙ্গে বিদ্বেষ ছড়ানো বাক্য ও বিপথে পরিচালিত করার মতো খবরের পোস্টগুলি নিরীক্ষণ করেছিল। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্ৰকাশিত বিজ্ঞাপনের প্ৰতিও দৃষ্টি রেখেছিল। তাই উল্লিখিত আলোচনা থেকে এটা স্পষ্ট হয় যে নির্বাচনে ভুয়া খবর যাতে প্ৰভাব ফেলতে না পারে তার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্ৰহণ করা হয়েছিল এবং সেইহেতু একটা সুস্থ সমাজ গড়ার জন্য আমাদের সর্বতোভাবে সহযোগিতা করা উচিত।

 

অন্যান্য খবরের জন্য পড়ুনঃ ভুয়া খবর বন্ধে জনগণ কি পদক্ষেপ নিয়েছেন