Top
undefined
Begin typing your search above and press return to search.

৬ এপ্ৰিল পর্যন্ত করোনা আক্ৰান্ত শনাক্ত না হলে আমরা একপ্ৰকার নিরাপদ ভাবতে পারবোঃ হিমন্ত

৬ এপ্ৰিল পর্যন্ত করোনা আক্ৰান্ত শনাক্ত না হলে আমরা একপ্ৰকার নিরাপদ ভাবতে পারবোঃ হিমন্ত

Sentinel Digital DeskBy : Sentinel Digital Desk

  |  21 March 2020 7:53 AM GMT

গুয়াহাটিঃ অসমে করোনা ভাইরাসে আক্ৰান্তের একটিও পজিটিভ কেস এখনও পর্যন্ত শনাক্ত হয়নি যদিও তবে আগামি ৬ এপ্ৰিল পর্যন্ত সংক্ৰমিত কোনও ব্যক্তি পাওয়া না গেলে রাজ্য একপ্ৰকার নিরাপদ বলে ভাবা যেতে পারে। শুক্ৰবার জনতাভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে একথা বলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্ৰী ড.হিমন্তবিশ্ব শর্মা। তিনি বলেন,রাজ্য বর্তমানে এক অত্যন্ত সংকটজনক অবস্থার মধ্য দিয়ে চলছে এবং করোনার সম্ভাব্য সংক্ৰমণ ঠেকাতে সরকারি প্ৰশাসনযন্ত্ৰ যতটা সম্ভব সতর্ক রয়েছে। গ্ৰহণ করা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের প্ৰতিরোধমূলক ব্যবস্থাও। শর্মা বলেন,ব্যাপক সংখ্যক মানুষ যারা বিভিন্ন কারণে অসমের বাইরে অবস্থান করছেন বা কর্মরত রয়েছেন তারা এখন অসমে ফিরছেন। তাই এখানে ফেরার পর তাদের স্বাস্থ্যের দিকে কমপক্ষেও ১৪ দিন গভীরভাবে নজর রাখতে হবে। এধরনের লোকেদের রাজ্যে ফেরা ২২ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ হতে পারে। কারণ,অসমে আসা বিমান ও ট্ৰেনগুলো ক্ৰমেই বাতিল করা হচ্ছে। অসমের বাইরে কোনও ব্যক্তির শরীরে কোভিড-১৯ সংক্ৰমিত হলে এবং সেই ব্যক্তি যদি অসমে ফিরে আসেন তাহলে তার শরীরে ৫ অথবা ৬ এপ্ৰিলের মধ্যে রোগের লক্ষণ দেখা দেবে। তাই ৬ এপ্ৰিল পর্যন্ত রাজ্যে যদি ’কোনও পজিটিভ কেস ধরা না পড়ে তাহলে বোঝা যাবে সংক্ৰমণ অনেকটা ঠেকানো সম্ভব হয়েছে। এরপরও সংক্ৰমিত কোনও ব্যক্তি রাজ্যে ফিরলে সংক্ৰমণ ছড়াতে পারে। তাই আগামি ১৪ থেকে ১৫ দিন রাজ্যের জন্য খুবই স্পর্শকাতর। তবে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা এবং আইসোলেশন ব্যবস্থা ৩১ মার্চ পর্যন্ত চলবে। তিনি বলেন,আজ থেকে ৫০ শতাংশ সরকারি কর্মী নিজের কার্যালয়ে আসবেন। বাকি ৫০ শতাংশ বাড়িতে বসে কাজ করবেন। বিভিন্ন বিভাগের প্ৰধানরা কাজের এই রুটিন ঠিক করে দেবেন। তিনি বলেন,স্বাস্থ্য,অগ্নি নির্বাপক বিভাগ,জল সরবরাহ,এএসইবি,পুলিশ এবং অন্যান্য আবশ্যক পরিষেবায় জড়িত কর্মীদের ডিউটি বহালই থাকছে।

করোনা প্ৰতিরোধে গৃহীত অন্যান্য ব্যবস্থার কথা ঘোষণা করে শর্মা বলেন,রবিবার থেকে রাজ্যে আসা ব্যক্তিদের বিমান বন্দর ও রেলস্টেশনে হাতে স্টাম্প বসানো হবে। এই সমস্ত লোকেদের ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। দোকান ও বাণিজ্যিক প্ৰতিষ্ঠানে রাখতে হবে হাত ধোয়ার জন্য সাবান,জল ও সেনিটাইজার। শপিং মলে একসঙ্গে ৫০ জনের বেশি লোকের প্ৰবেশে নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়েছে। তাছাড়া ফর্মাল স্ক্ৰিনিং,সেনিটাইজারও রাখতে বলা হয়েছে মলগুলোকে।

অসমের যে সমস্ত মানুষ গত একমাসের মধ্যে বিভিন্ন কাজে বিদেশে গিয়ে আটকে পড়েছেন তাদের কস্টের কথা ভেবে রাজ্য সরকার প্ৰত্যেককে ২০০০ ডলার(১.৫০ লক্ষ)টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। ওই সমস্ত লোকেদের পাসপোর্ট এবং অন্যান্য নথিপত্ৰ পরীক্ষার পরই তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ওই টাকা দেওয়া হবে বলে শর্মা ঘোষণা করেছেন। জনকল্যাণের প্ৰতি লক্ষ্য রেখে করোনা প্ৰতিরোধ ব্যবস্থা প্ৰতিদিনই আঁটোসাটো করছে সরকার।

অন্যান্য খবরের জন্য পড়ুনঃ ২০১৪ থেকে উত্তরপূর্বে ৪০টি নতুন রেলওয়ে স্টেশন নির্মাণ করা হয়েছেঃ ডোনার মন্ত্ৰী

অধিক খবরের জন্য ভিডিও দেখুন: Sale of vitamins and other nutritional products rise due to coronavirus scare

Next Story