ন্যাশনাল

ভারতের আইটি সেক্টরে এক চাঞ্চল্য তেলেঙ্গানার ১২ বছরের কিশোরী জুনেইরা

আইটি সেক্টর
Source: Google

তেলেঙ্গানাঃ অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি। তেলেঙ্গানার কিশোরী জুনেইরা খান,বয়স মাত্ৰ ১২। এই বয়সেই তথ্য-প্ৰযুক্তি ক্ষেত্ৰে ভারতের এক নতুন অনবদ্য প্ৰতিভা হিসেবে উঠে এসেছে। তথ্য-প্ৰযুক্তির জগতে এক নজির বিহীন দক্ষতা অর্জন করেছে জুনেইরা। এত অল্প বয়সে তথ্য-প্ৰযুক্তি সম্পর্কে অগাধ জ্ঞান রপ্ত করে নিয়েছে সে। এই দক্ষতা সে অর্জন করেছে তার মা নিশাদ খানকে দেখে। মা নিশাদ খান বি-টেক ছাত্ৰদের আইটি প্ৰশিক্ষক হিসেবে তথ্য-প্ৰযুক্তি বিষয়ে শিক্ষা দিয়ে আসছেন। মা কিভাবে ছাত্ৰদের প্ৰশিক্ষণ দিচ্ছেন জুনেইরা খুব কাছে থেকে সেটা লক্ষ্য করতো। এভাবেই জুনেইরার মনে তথ্য-প্ৰযুক্তি সম্পর্কে জানার আগ্ৰহ জন্মায়। শুরু হয় মায়ের কাছে তালিম নেওয়া। নিজের চেষ্টা ছিল অদম্য। এভাবেই তথ্য-প্ৰযুক্তির জ্ঞান ভাণ্ডার তার মধ্যে বিকশিত হতে থাকে। খবরে প্ৰকাশ,মাত্ৰ সাত বছর বয়সে জুনেইরা তথ্য-প্ৰযুক্তি সম্পর্কে জ্ঞান সংগ্ৰহে আগ্ৰহ প্ৰকাশ করেছিল। ৮ বছরে পা দেওয়ার পরই সে ক্লায়েন্টদের জন্য সফটওয়ার ডেভলপিঙের কাজ শুরু করে এবং এটাকে পেশা হিসেবে বেছে নেয়।

নিজের সাফল্যের ইতিহাস ব্যক্ত করতে গিয়ে জুনেইরা বলেছে,‘আমি আমার নিজস্ব ওয়েবসাইট জেডএম ইনফোকম বানিয়েছি এবং বি টেক ছাত্ৰদের প্ৰশিক্ষণ দিচ্ছি। টিম ম্যানেজমেন্টের জন্য একটি অ্যাপ্লিকেশনও প্ৰস্তুত করেছি যা আমি খুব শীঘ্ৰই চালু করবো’।

টিম আইডেনটিটি,পার্টিসিপেশন এবং তথ্য প্ৰবাহে মন্থবতা ইত্যাদি সংকটের মোকাবিলায় যেকোনও প্ৰতিষ্ঠানকে এই অ্যাপ্লিকেশন সাহায্য করবে।

খুদে মেয়েটি নিজের আইটি কোম্পানি চালানোয় এবং বিটেক ছাত্ৰদের প্ৰশিক্ষণ দেওয়ার খবর চাউর হতেই সারা দেশে সাড়া পড়ে যায়। এই খুদে উদ্যোগী ইতিমধ্যেই চার চারটি বিটেক ছাত্ৰদের ব্যাচকে প্ৰশিক্ষণ দিয়েছে। এই বয়সের একটা কিশোরীর এহেন কাজ সত্যিই নজরবিহীন। তথ্য-প্ৰযুক্তির প্ৰতি তার অকৃত্ৰিম ভালবাসাই এই বিষয়টিকে পেশা হিসেবে বেছে নিতে তাকে সাহা্য্য করেছে। তাঁর এই উদ্যোগ বাস্তবিকই উল্লেখযোগ্য।

খুদে মেয়েটি বিভিন্ন প্ৰতিষ্ঠানের জন্য অনেকগুলি বিজনেস অ্যাপ্লিকেশন উদ্ভাবন করেছে। সে আরও বলেছে,তাঁর মা একজন আইটি প্ৰশিক্ষক এবং মা কিভাবে বিটেক ছাত্ৰদের ক্লাস নিতেন সেটা খুব ভাল করে লক্ষ্য করতাম। এর পর মাকে বলি আমাকে প্ৰশিক্ষণ দেওয়ার জন্য। ৮ বছর বয়সেই আমি সফটওয়ার বানাতে শুরু করি।

জুনেইরা আরও বলেছে,এইচটিএমএল,সিএমএস,পিএইচপি,এমওয়াইএসকিউএল ডাটাবেস এবং জাভাস্ক্ৰিপ্টে কাজ করেছে সে। এছাড়াও সে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন এবং বিসনেস অ্যাপ্লিকেশনও করেছে।

 

 

অন্যান্য খবরের জন্য পড়ুনঃ আইআইটি-গুয়াহাটি আবিষ্কার করল বায়োডিগ্ৰেডেবল প্লাস্টিক