Top
undefined
Begin typing your search above and press return to search.

করোনার বিরুদ্ধে সতর্কতাঃ স্কুল ছাত্ৰদের নিয়ে শিক্ষামূলক ভ্ৰমণ স্থগিত রাখার নির্দেশ

করোনার বিরুদ্ধে সতর্কতাঃ স্কুল ছাত্ৰদের নিয়ে শিক্ষামূলক ভ্ৰমণ স্থগিত রাখার নির্দেশ

Sentinel Digital DeskBy : Sentinel Digital Desk

  |  14 March 2020 10:08 AM GMT

গুয়াহাটিঃ মারণ জীবাণু করোনা ভাইরাস গোটা বিশ্বে এখন ত্ৰাসের সৃষ্টি করেছে। ভারতে এই রোগের সংক্ৰমণ সম্পূর্ণ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত অসমে স্কুল ছাত্ৰদের নিয়ে শিক্ষামূলক ভ্ৰমণ সম্পূর্ণ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগ স্কুলগুলির উদ্দেশে এই নির্দেশ জারি করেছে। স্বাস্থ্য বিভাগের কমিশনার অনুরাগ গোয়েল,যিনি করোনা ভাইরাস সংক্ৰমণ নিয়ন্ত্ৰণের নোভেল অফিসারও। গোয়েল বৃহস্পতিবার প্ৰাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা সঞ্চালকালয়ের ডিরেক্টরেটকে বলেছেন করোনা ভাইরাসের সংক্ৰমণ সম্পূর্ণ রোধ না হওয়া পর্যন্ত রাজ্যের ভিতরে অথবা বাইরে স্কুলছাত্ৰদের নিয়ে যেকোনও ধরনের শিক্ষামূলক ভ্ৰমণসূচি যেন এড়িয়ে চলা হয়। স্বাস্থ্য বিভাগ বেসরকারি স্কুলগুলোকেও ওই একই ব্যবস্থা অনুসরণ করার জন্য বলবে বলে একটি সূত্ৰ জানিয়েছে।

অন্যদিকে, মারণ জীবাণুর হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করতে ছাত্ৰদের কি করণীয় এবং কী করা উচিত নয় সে ব্যাপারে তাদের সচেতন করতে স্বাস্থ্য বিভাগ একগুচ্ছে নির্দেশিকা জারি করেছে। ছাত্ৰদের নিরাপদে রাখতে কী ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্ৰহণ করা প্ৰয়োজন যে সম্পর্কে রাজ্যে স্কুল শিক্ষকদের জন্য প্ৰশিক্ষণ কর্মসূচিরও আয়োজন করা হয়েছে। গুয়াহাটির একটি প্ৰাথমিক স্কুলের প্ৰধান শিক্ষক বলেন,শিক্ষক ছাড়াও সমস্ত অভিভাবক ও শিশুদের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্ৰহণ করতে বলা হয়েছে। ‘আমরা ছাত্ৰদের হ্যান্ড স্যানিটাইজার সঙ্গে নিয়ে আসতে এবং তাদের ঘন ঘন হাত ধুতে বলেছি। আমার স্কুল ছাত্ৰ ও শিক্ষকদের ব্যবহারের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক হ্যান্ড ওয়াশের বোতল ও সাবান ইত্যাদি ক্ৰয় করেছে’-বলেন প্ৰধান শিক্ষক।

অন্য একটি হাইস্কুলের প্ৰধান শিক্ষক বলেন,প্ৰত্যেক ছাত্ৰকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে বোঝানো খুবই কঠিন। ‘আমার কিছু শিক্ষক পরামর্শ দিয়েছেন,পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত দিল্লি ও মণিপুরের মতো অসমের স্কুলগুলিও কিছুদিন বন্ধ রাখা উচিত’-উল্লেখ করেন তিনি। করোনার সংক্ৰমণ রোধে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা(হু)এন-৯৫ মাস্ক এবং স্যানিটাইজার ব্যবহার করার সুপারিশ করেছে। কিন্তু বর্তমানে এজাতীয় মাস্ক ও সানিটাইজারের অভাব রয়েছে শহরের বাজারে। ‘জনগণকে খাবার আগে স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে এবং সাবান অথবা হ্যান্ড ওয়াশ দিয়ে ঘন ঘন হাত ধোয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এন-৯৫ মাস্ক না পেলে সাধারণ মাস্ক ও ব্যবহার করা যাবে’-বলেছেন গুয়াহাটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের একজন চিকিৎসক।

অন্যান্য খবরের জন্য পড়ুনঃ অসমে রাজ্যসভার তিনটি আসনে তিন প্ৰার্থীর মনোনয়নপত্ৰ দাখিল

অধিক খবরের জন্য ভিডিও দেখুন: NHM Director, Assam, Dr Lakshmanan S on “How to prepare yourself amidst the Coronavirus Outbreak”

Next Story