সস্তা বার্মিজ সুপারিকে দেশীয় ব্ৰ্যান্ড দিয়ে মুনাফা লুটছে একাংশ ব্যবসায়ী

সস্তা বার্মিজ সুপারিকে দেশীয় ব্ৰ্যান্ড দিয়ে মুনাফা লুটছে একাংশ ব্যবসায়ী

গুয়াহাটিঃ ভারতের বাজারে এখন বার্মিজ সুপারি ছেয়ে গেছে। মূল্যের লড়াইয়েও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত বিভিন্ন ধরনের সুপারি মার খাচ্ছে বার্মিজ সুপারির কাছে। এখবর প্ৰায়ই আসছে সংবাদপত্ৰের শিরোনামে। বিদেশ থেকে আসা এই সুপারিকে স্থানীয় ব্ৰ্যান্ড হিসেবে ব্যাখ্যা করে একাংশ ব্যবসায়ী অধিক মুনাফা তুলছে। এটা বাস্তবিকই একটা আবাঞ্ছিত এবং অসাধু অভ্যেস। মায়ানমার ও থাইল্যান্ড থেকে আসা এই সমস্ত সুপারি স্থানীয় সুপারির চেয়ে অনেক সস্তা। ৯০-১৫০ টাকায় এক কেজি বার্মিজ সুপারি কেনা যায়। অথচ স্থানীয় ভাবে উৎপাদিত সুপারির মূল্য প্ৰতিকেজি ১৫০ টাকা থেকে ১৮০ টাকা। মূল্যের ক্ষেত্ৰে থাকা এই বিশাল ফারাকের সু্যোগ নিচ্ছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। বিদেশি সুপারিকে ভারতীয় দেখিয়ে একাংশ ব্যবসায়ী অধিক মুনাফা লুটছে।

শুল্ক বিভাগের একটি সূত্ৰের মতে,বিদেশি ও স্থানীয় সুপারির মধ্যে একটা ফারাক দেখতে পাওয়া যায়। বিদেশি সুপারির ভিতরের অংশ সাধারণত সাদা হয় এবং ভারতীয় সুপারি্ৰ ভেতরের অংশটা লালচে হয়ে থাকে। তবে স্থানীয় সুপারির স্বাদ বিদেশি সুপারির চেয়ে অনেক ভাল। একাংশ অসাধু ব্যবসায়ী বার্মিজ সুপারিতে লাল রং প্ৰয়োগ করে সেগুলিকে দেশীয় সুপারি বলে বিক্ৰি করছেন অধিক লাভের জন্য। জনৈক সুপারি ব্যবসায়ীর মতে,স্থানীয় সুপারির চারটি বিভিন্ন ধরন রয়েছে। এগুলো হচ্ছে ‘ফালি’(সমান দু টুকরো করে কাটা সুপারি),গোটা(আস্ত)কাটুরি(সেদ্ধ করে পুরোটা শুকিয়ে নেওয়া)এবং কাপ্তা(সেদ্ধ করা সেরা সুপারি)। এক কেজি কাপ্তা সুপারির মূল্য হচ্ছে ৩০০-৪০০ টাকা-বলেন ওই ব্যবসায়ী)

ব্যবসায়ী আরও বলেন,বিদেশি সুপারিগুলি মূল্যের ক্ষেত্ৰে স্থানীয় প্ৰজাতির চেয়ে অনেক কম। আগে আমরা উত্তর প্ৰদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে সুপারি পাঠাতাম। এখন আমাদের সুপারি সরবরাহ অনেকটাই হ্ৰাস পেয়েছে। কারণ বার্মিজ সুপারি এখন ওই বাজার প্ৰায় কব্জা করে নিয়েছে-বলেন তিনি।

অন্যান্য খবরের জন্য পড়ুনঃ গুয়াহাটিতে সুপারি বোঝাই ২৭টি ট্ৰাক আটক

অধিক খবরের জন্য ভিডিও দেখুন: Film fraternity of Assam organizes felicitation ceremony

logo
Sentinel Assam- Bengali
bengali.sentinelassam.com