Top
undefined
Begin typing your search above and press return to search.

ক্যাফে কফি ডে-র প্ৰতিষ্ঠাতা ভিজি সিদ্ধার্থ নিখোঁজ

ক্যাফে কফি ডে-র প্ৰতিষ্ঠাতা ভিজি সিদ্ধার্থ নিখোঁজ

Sentinel Digital DeskBy : Sentinel Digital Desk

  |  30 July 2019 12:23 PM GMT

ইন্ডিয়ান ক্যাফের প্ৰখ্যাত ক্যাফে কফি ডে(সিসিডি)-এর প্ৰতিষ্ঠাতা ভিজি সিদ্ধার্থ বর্তমানে নিখোঁজ। কর্মচারীদের উদ্দেশে লেখা এক চিঠিতে নিজের ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করে এবং তাঁদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিখোঁজ হন তিনি। খবরটি খুবই দুঃখজনক ও হৃদয় বিদারক। ঘটনাটি ঘটে সোমবার। সিসিডি-র প্ৰতিষ্ঠাতা সিদ্ধার্থ বেঙ্গালুরুতে ওই রাতে নিজের কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। বেঙ্গালুরুর নেত্ৰবতী সেতুর কাছে পৌঁছনোর পর গাড়ি চালককে বলেন,তাকে নামিয়ে দেওয়ার জন্য। এর ঘণ্টা খানেক পর তিনি বেপাত্তা হয়ে যান।

কর্মচারীদের উদ্দেশে ক্ষমা চেয়ে রেখে যান একটা চিঠি,যার বয়ান হলো ‘আমি তাদের একটা গ্ৰহণযোগ্য ও লাভজনক ব্যবসা দিতে ব্যর্থ হয়েছি। তাই তাঁরা যেন আমাকে ক্ষমা করেন’। খোদ সিদ্ধার্থই ওই চিঠিটি লিখেছেন যিনি প্ৰাক্তন কেন্দ্ৰীয় মন্ত্ৰী এস এম কৃষ্ণর জামাতা। চিঠির বয়ানে নিজের মনোভাব প্ৰকাশ করে তিনি লিখেছেন ‘আমার ওপর যারা আস্থা রেখেছেন,তাদের সবার জন্য আমি কিছুই করতে পারিনি। এই ব্যর্থতার জন্য আমি অত্যন্ত দুঃখিত। আমি দীর্ঘদিন ধরে লড়াই করছিলাম। কিন্তু আজ আমি হাত তুলে দিয়েছি। কারণ আর চাপ নেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছিল না’। চিঠিতে যে তারিখের উল্লেখ রয়েছে সেটি হলো ২৭ জুলাই। সোমবার নেত্ৰবতী সেতুর কাছে সিদ্ধার্থ নিখোঁজ হওয়ার পরই চিঠিটি কর্মচারীদের নজরে আসে।

ওদিকে সিদ্ধার্থের গাড়ি চালক যখন নেত্ৰবতী সেতুর কাছে তাকে নামিয়ে দিয়ে অনেকক্ষণ অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু সিদ্ধার্থ ফিরে না আসায় চালকের মনে সন্দেহ জাগে তাঁর মণিব সম্ভবত নিখোঁজ হয়েছেন। চালক এর পরই সিদ্ধর্থের বাড়িতে খবর দেন। এরপরই বাড়ির লোকেরা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানান।

নিখোঁজ হওয়ার আগে সিদ্ধার্থ যে চিঠি লিখে গেছেন তাতে বলা হয়েছে ‘একজন প্ৰাইভেট ইকুয়িটি পার্টনারের চাপ তিনি আর নিতে পারছেন না। ওই পার্টনার তার শেয়ার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য নিরন্তর চাপ দিয়ে যাচ্ছিলেন। খবরে প্ৰকাশ,ছমাস আগে এক বন্ধুর কাছ থেকে মোটা টাকা ঋণ নিয়েছিলেন সিদ্ধার্থ। ঋণদাতা তার অর্থ ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য চাপ বাড়িয়ে দেন। পরিস্থিতির চাপে পড়েই এমন একটা সিদ্ধান্ত নিতে তিনি বাধ্য হয়ে পড়েন’।

চিঠির বয়ানে আরও উল্লেখ করা হয়েছে,‘এর আগে আয়কর বিভাগের কাছেও তাকে যথেষ্ট হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। সিদ্ধার্থ বেঙ্গালুরুতে একটি বিপণির মাধ্যমে তার সিসিডি চেইন শুরু করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে বিপণির সংখ্যা ১৫ হাজার বৃদ্ধি হয়। সাফল্যের মুখও দেখেছিলেন এই উদ্যোগী।

অন্যান্য খবরের জন্য পড়ুনঃ জলের নিচে জাদু দেখাতে গিয়ে গঙ্গায় নিখোঁজ কলকাতার জাদুকর

Next Story