Begin typing your search above and press return to search.

১৬২টি ধর্মীয় প্ৰতিষ্ঠানের বার্ষিক অনুদান বাড়িয়ে ২ লক্ষ টাকা করল দিশপুর

১৬২টি ধর্মীয় প্ৰতিষ্ঠানের বার্ষিক অনুদান বাড়িয়ে ২ লক্ষ টাকা করল দিশপুর

Sentinel Digital DeskBy : Sentinel Digital Desk

  |  17 Sep 2019 8:09 AM GMT

গুয়াহাটিঃ ঐতিহাসিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ অসমের ১৬২টি ধর্মীয় প্ৰতিষ্ঠানের প্ৰত্যেকটির জন্য রাজ্য সরকার বার্ষিক ২লক্ষ টাকা করে অতিরিক্ত অনুদান মঞ্জুর করেছে। বার্ষিক অনুদানের পরিমাণ বৃদ্ধির ফলে ওই ১৬২টি ধর্মীয় প্ৰতিষ্ঠান অনেকটাই স্বস্তি পাবে। রাজ্য সরকার এই সমস্ত ধর্মীয় প্ৰতিষ্ঠানকে বার্ষিক অনুদান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্ৰতি বছরই ধর্মীয় প্ৰতিষ্ঠানগুলোকে একটা নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ দেওয়া হয়ে থাকে। সরকার ২০১৯-২০ সালে এই ১৬২টি ধর্মীয় প্ৰতিষ্ঠানের জন্য অতিরিক্ত বার্ষিক অনুদান হিসেবে রাজকোষ থেকে গড়ে ৩,২৪,০০,০০০ টাকা ব্যয় করবে।

অধিকন্তু,এই প্ৰতিষ্ঠান সমূহ এরআগে নির্ধারিত বার্ষিক বৃত্তির টাকাও পেয়ে যাবে। এখন অবধি এই সমস্ত ধর্মীয় প্ৰতিষ্ঠানকে বার্ষিক অনুদান হিসেবে যে অর্থ দেওয়া হয়েছে তার মোট পরিমাণ হলো ৯০,৯৮,২৩০ টাকা। বর্তমানে ১৬২টি ধর্মীয় প্ৰতিষ্ঠানের যে কটি বার্ষিক অনুদানের অর্থ উপভোগ করছে সেগুলোর তালিকায় আছে কামরূপ জেলার শ্ৰী শ্ৰী চমরিয়া সত্ৰ(১৪,০০০ টাকা),ধুবড়ি জেলার সত্ৰশাল ধাম রামরাই কুঠি সত্ৰ(৮,৭৯০ টাকা,কামরূপ মেট্ৰোর কামাখ্যা দেবালয়(৭০০০ টাকা),মাজুলি জেলার শ্ৰী শ্ৰী সামগুড়ি সত্ৰ(৫,১২৮ টাকা)এবং গোয়ালপাড়া জেলার শ্ৰী শ্ৰী সূর্যপাহাড় মন্দির,যোরহাট জেলার নিগ্ৰেটিং শিবমন্দির,কামরূপ মেট্ৰোর বশিষ্ঠ দেবালয়,নগাঁও জেলার লালুং গাঁওয়ের শ্ৰীশ্ৰী বটদ্ৰবা সত্ৰ,নগাঁও জেলার বরভেটির শ্ৰীশ্ৰী বটদ্ৰবা সত্ৰ,শিবসাগর জেলার শ্ৰীশ্ৰী শিব দৌল এবং শোণিতপুর জেলার মহাভৈরব দেবালয় প্ৰতিটি ৩০০০ টাকা করে পাচ্ছে।

বিভিন্ন ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের প্ৰতি আলোকপাত করেই রাজ্য সরকার এই সমস্ত প্ৰতিষ্ঠানের বার্ষিক অনুদানের পরিমাণ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ‘অসম দর্শন অ্যানুইটি গ্ৰ্যাণ্ট টু দেবালয়েস’ স্কিমের অধীনে এই অতিরিক্ত অনুদান মঞ্জুর করা হয়েছে।

রাজ্য সরকার এরআগে ১৬২টি ধর্মীয় প্ৰতিষ্ঠানের জমি অধিগ্ৰহণ করায় এই সব ধর্মীয় প্ৰতিষ্ঠানকে বার্ষিক অনুদান মঞ্জুর করেছে। রাজ্য সরকার এরআগে বেশকটি ধর্মীয় প্ৰতিষ্ঠান ও চ্যারিটেবল ইন্সটিটিউশনের জমি অধিগ্ৰহণ করেছিল ১৯৫৯ সালে পাবলিক নেচার অ্যাক্টের অধীনে। এই সমস্ত প্ৰতিষ্ঠানকে সামান্য পরিমাণে বার্ষিক অনুদানও দেওয়া হচ্ছিল। রাজ্যে এমন কিছু ধর্মীয় স্থান রয়েছে যেখানে সারা বছরই ব্যাপক সংখ্যক দর্শনার্থীর আগমন হয়ে থাকে। দর্শনার্থী ও ভক্তদের জন্য ওই সব স্থানে ন্যূনতম সু্যোগ সুবিধাটুকুও নেই। এই বিষয় মাথায় রেখেই এই সমস্ত প্ৰতিষ্ঠানের বার্ষিক অনুদানের পরিমাণ বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যাতে তারা পরিকাঠামোগত সু্যোগ সুবিধার ব্যবস্থা করতে পারে। রাজ্যের অর্থমন্ত্ৰী হিমন্তবিশ্ব শর্মা সম্প্ৰতি বিধানসভায় তাঁর বাজেট বক্তৃতার সময় এই সমস্ত ধর্মীয় প্ৰতিষ্ঠানের বার্ষিক অনুদানের পরিমাণ বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছিলেন।

অন্যান্য খবরের জন্য পড়ুনঃ এনআরসি ছুটদের আপিল প্ৰক্ৰিয়া চালিয়ে নিতে আবেদন গ্ৰহণের জন্য ‘এসওপি’ প্ৰস্তুত করল দিশপুর

অধিক খবরের জন্য ভিডিও দেখুন: Kumarpara Murder Incident: Guwahati Police announces cash award of Rs 25,000

Next Story