Begin typing your search above and press return to search.

সরকারি চাকরির জন্য নতুন নির্ণায়ক শর্ত বেঁধে দিলো দিশপুর

সরকারি চাকরির জন্য নতুন নির্ণায়ক শর্ত বেঁধে দিলো দিশপুর

Sentinel Digital DeskBy : Sentinel Digital Desk

  |  29 Oct 2019 7:07 AM GMT

গুয়াহাটিঃ সরকারি চাকরির জন্য আবেদন জানানোর ক্ষেত্ৰে দিশপুর কিছু নতুন নির্ণায়ক শর্ত বেঁধে দিলো। যে সমস্ত দম্পতির দুটির বেশি সন্তান রয়েছে তারা সরকারি চাকরির জন্য আবেদন জানানোর অযোগ্য বিবেচিত হবেন। তাছাড়া যারা ২০০৬ সালের বাল্য বিবাহ আইন লঙ্ঘন করছেন তারাও সরকারি চাকরির জন্য আবেদন জানাতে পারবেন না। এই নতুন ব্যবস্থা প্ৰযোজ্য হচ্ছে ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে। গত ২১ অক্টোবর রাজ্য মন্ত্ৰী পরিষদের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্ৰহণ করা হয়েছিল। এই নতুন ব্যবস্থা প্ৰণয়নে দ্য আসাম সিভিল সার্ভিসেস(কনডাক্ট)রুলস’১৯৬৫ সংশোধনের প্ৰস্তাব করা হয়েছে এবং প্ৰস্তাবিত বিজ্ঞপ্তিটি দ্য আসাম সার্ভিস(অ্যাপ্লিকেশন অফ স্মল ফ্যামিলি নর্মস ইন ডাইরেক্ট(রিক্ৰুটমেণ্ট)রুলস,২০১৯ হিসেবে জ্ঞাত হবে। পার্সোনেল বিভাগ খুব শিগগিরই এই বিজ্ঞপ্তিটি জারি করবে। দেশের বেশকিছু রাজ্য ছোট পরিবারের এই নীতি ইতিমধ্যেই গ্ৰহণ করেছে।

অসম সরকার রাজ্যে ইতিমধ্যেই জনসংখ্যা ও মহিলা সবলীকরণ নীতির স্বপক্ষে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে এবং এব্যাপারে সরকারি কর্মসূচিতে অংশগ্ৰহণের জন্য তিনটি শর্তও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। প্ৰথম শর্তটি হচ্ছে,শুধুমাত্ৰ দুটো সন্তান থাকা প্ৰার্থীরাই এক্ষেত্ৰে যোগ্য বিবেচিত হবেন। দ্বিতীয়ত,সরকারি কর্মীদের দুই সন্তানের নীতি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

তৃতীয়ত,কোনও ব্যক্তি পুরুষ অথবা মহিলাই হোন না কেন,যিনি বিয়ের আইনি বয়স লঙ্ঘন করবেন সেই ব্যক্তি কোনও ধরনের নিয়োগ অথবা সরকারি নিয়োগ সংক্ৰান্ত স্কিমের ক্ষেত্ৰে উপযুক্ত বিবেচিত হবেন না। তাই কোনও ব্যক্তি যদি ২০০৬ সালের ‘দ্য প্ৰোহেবিশন অফ চাইল্ড ম্যারেজ অ্যাক্ট(অ্যাক্ট ৬ অফ ২০০৭)লঙ্ঘন করে বিয়ে করেন সেই ব্যক্তি অসম সরকারের অধীনস্থ কোনও চাকরি অথবা পদের জন্য উপযুক্ত বিবেচিত হবেন না। এই আইনের ২(এ)ধারায় শিশু বলতে বোঝানো হয়েছে যে কোনও পুরুষের বয়স ২১ বছর এবং কোনও মেয়ের বয়েস ১৮ পূর্ণ না হওয়া অবধি তারা বিয়ের যোগ্য নয়। আইনের ২(বি)ধারায় বাল্য বিবাহ সম্পর্কে বলা হয়েছে,পাত্ৰ অথবা পাত্ৰীর মধ্যে কোনও একপক্ষ যদি এধরনের বিয়ের যোগাযোগ করে থাকেন সেটাই বাল্য বিবাহ হিসেবে পরিগণিত হয়।

অন্যদিকে ছোট পরিবারের নীতি অনু্যায়ী,২০২১-এর ১ জানুয়ারি অথবা তার পর থেকে কোনও ব্যক্তির দুটোর বেশি জীবিত সন্তান থাকলে সেই ব্যক্তি রাজ্য সরকারের অধীনস্থ সরকারি চাকরির কোনও পদে নিয়োগের সুবিধা পাবেন না।

তবে এক্ষেত্ৰে দুটো ব্যতিক্ৰমী শর্তও রাখা হয়েছে। প্ৰথমত কোনও আবেদনকারীর আগে জন্ম নেওয়া একটি জীবিত শিশু যদি থেকে থাকে এবং উপর্যুপরি ডেলিভারিতে একের বেশি সন্তান ভূমিষ্ট হয় সেক্ষেত্ৰে সন্তান গণনা একটি ধরা হবে। দ্বিতীয়ত,২০২১-এর ১ জানুয়ারির আগে কোনও ব্যক্তির দুটির বেশি জীবিত সন্তান থাকে তারা ততদিন পর্যন্ত অযোগ্য বিবেচিত হবে না উল্লিখিত তারিখের পর যদি তাদের সন্তান সংখ্যা বৃদ্ধি না পায়। যে সমস্ত প্ৰার্থীরা ছোট পরিবার নীতি অনুসরণ করবেন এবং যাদের দুটোর বেশি সন্তান নেই তারা সরাসরি সরকারি চাকরিতে নিয়োগের যোগ্য বিবেচিত হবেন।

অধিকন্তু যে কোনও ধরনের সরকারি চাকরির জন্য আবেদনকারীকে নির্ধারিত ফর্ম পূরণ করে দাখিল করতে হবে। সরকারের বেঁধে দেওয়া শর্ত যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি পূরণ করেছেন আবেদনে তার উল্লেখ থাকা চাই। বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করে এটাও বলে দেওয়া হয়েছে যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যে সমস্ত তথ্য দেবে তা পরীক্ষার পর মিথ্যে প্ৰমাণিত হলে সেই ব্যক্তিকে চাকরি থেকে ছাঁটাই করে দেওয়া হবে।

অন্যান্য খবরের জন্য পড়ুনঃ সময় অন্তর এনআরসি নবায়ন দিশপুরের মতামত ও আরজিআই-র সবুজ সঙ্কেতের অপেক্ষায়

অধিক খবরের জন্য ভিডিও দেখুন: Fire breaks out at Baruah Chariali in Jorhat

Next Story