Top
Begin typing your search above and press return to search.

এনআরসি ছুট গোর্খাদের আন্দোলনে যাওয়ার হুমকি

এনআরসি ছুট গোর্খাদের আন্দোলনে যাওয়ার হুমকি

Sentinel Digital DeskBy : Sentinel Digital Desk

  |  14 Sep 2019 1:36 PM GMT

গুয়াহাটিঃ অসমে বসবাসকারী প্ৰায় ৮৫ হাজার গোর্খার নাম চূড়ান্ত রাষ্ট্ৰীয় নাগরিক পঞ্জি থেকে বাদ পড়েছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই প্ৰচণ্ড ক্ষুব্ধ গোর্খা সমাজ। বেশকটি গোর্খা সংগঠন এনআরসি-র রাজ্য সমন্বয়ক প্ৰতীক হাজেলাকে এই প্ৰশ্ন করেছে কেন প্ৰায় ৮৫ হাজার গোর্খার নাম চূড়ান্ত এনআরসি থেকে ছাঁটা হলো তার জবাব তাঁকে(হাজেলা)দিতে হবে। গোর্খা সংগঠনগুলি বলেছে,নাগরিকত্ব প্ৰমাণের জন্য তাঁদের কাছে প্ৰয়োজনীয় নথিপত্ৰও ছিল। সংগঠনগুলো বলেছে,এনআরসি-র রাজ্য সমন্বয়ক হাজেলা যদি তাঁদের প্ৰশ্নের জবাব না দেন তাহলে আগামি ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে তারা রাজ্যে আন্দোলন শুরু করবে। সেইসঙ্গে রাজ্যের বিভিন্ন থানায় এফআইআর দাখিল করবে হাজেলার বিরুদ্ধে।

শুক্ৰবার দিশপুর প্ৰেসক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে সারা অসম গোর্খা ছাত্ৰ ইউনিয়ন(এএজিএসইউ)-এর সভাপতি প্ৰেম তামাং বলেন,রাজ্যে বসবাসকারী প্ৰায় ৮৫ হাজার গোর্খার নাম কেন চূড়ান্ত এনআরসির তালিকা থেকে তিনি বাদ দিলেন তার জবাব হাজেলাকে দিতেই হবে। নিজেদের নাগরিকত্বের অবস্থান প্ৰমাণ করতে গোর্খা সম্প্ৰদায়ের এই সব মানুষ সমস্ত প্ৰয়োজনীয় নথি জমা দিয়েছিলেন। ’এখনও পর্যন্ত আমরা শান্ত রয়েছি। হাজেলা যদি আমাদের প্ৰশ্নের জবাব দিতে আরও সময় নষ্ট করেন তাহলে আমরা রাজ্যের বিভিন্ন থানায় তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দাখিল করবো’।

ফরেনার্স ট্ৰাইবুনালে যাওয়ার প্ৰস্তাব খারিজ করে দিয়ে তামাং বলেন,‘কেন আমরা বিদেশি ট্ৰাইবুনালে যাবো? আমরা মোটেই বিদেশি নই। অসমে প্ৰায় ২৫ লক্ষ গোর্খা রয়েছেন। এর মধ্য থেকে ৮৫ হাজার গোর্খার নাম এনআরসিতে অন্তর্ভুক্তির অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। অসমে বসবাসরত গোর্খাদের ‘ডি’ ভোটারেরও সমস্যা রয়েছে। রাজ্য সরকার কখনোই এই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেনি’।

প্ৰাক্তন সাংসদ এবং অসম গোর্খা সম্মিলনীর সভাপতি আরপি শর্মা বলেছেন,‘এনআরসি থেকে গোর্খারা যদি বাদ যান তাহলে অসমিয়াদের জাতি,মাটি এবং ভিটে সংকটের মুখে পড়বে। অসমে বসবাসকারী গোর্খারা নিজেদের অসমিয়া বলে পরিচয় দেন,নেপালি হিসেবে নয়। ১৯৫০ সালের ভারত-নেপাল চুক্তি অনু্যায়ী যেকোনও গোর্খা মানুষ ভারতে আসতে পারেন এবং যে কোনও ভারতীয় নেপালে যেতে পারেন। ১৮১৬ সাল থেকে গোর্খারা অসমে আসতে শুরু করে ওই সময়ই সুগাউলি চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল’।

সারা গোর্খা সম্মিলনী এবং নেপালি সাহিত্য পরিষদ ভারতীয় গোর্খা পরিসংঘের প্ৰতিনিধি ও বেশ কয়েকজন গোর্খা বুদ্ধিজীবী সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা বলেন,অসমের যে সমস্ত স্থানীয় মানুষকে চূড়ান্ত এনআরসিতে অন্তর্ভুক্তির অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে তারা ফরেনার্স ট্ৰাইবুনালে যাবে না। আমরা এব্যাপারে মামলা করবো’।

প্ৰাক্তন মন্ত্ৰী পদম বাহাদুর চৌহান এবং অসম নেপালি সাহিত্য সভার সভাপতি দুর্গা খাটিওয়ারা ছাড়াও বেশকিছু গোর্খা নেতা ও বুদ্ধিজীবী সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

অন্যান্য খবরের জন্য পড়ুনঃ চূড়ান্ত ও পরিবার ভিত্তিক এনআরসি প্ৰকাশ পাচ্ছে ১৪ সেপ্টেম্বর

অধিক খবরের জন্য ভিডিও দেখুন: Dilapidated Road condition of Pengeri Road in Assam

Next Story