Begin typing your search above and press return to search.

ক্যা ইস্যুর শুনানি,সুপ্ৰিম কোর্টের ওপর আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছেঃ আসু

ক্যা ইস্যুর শুনানি,সুপ্ৰিম কোর্টের ওপর আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছেঃ আসু

Sentinel Digital DeskBy : Sentinel Digital Desk

  |  24 Jan 2020 7:52 AM GMT

গুয়াহাটিঃ সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের(ক্যা)বিরুদ্ধে অসম ও ত্ৰিপুরার তরফ থেকে দাখিল হওয়া পিটিশনগুলি পৃথকভাবে শুনানির জন্য সুপ্ৰিম কোর্ট যে অবস্থান নিয়েছে সেই প্ৰসঙ্গে সারা অসম ছাত্ৰ সংস্থার(আসু)সভাপতি দীপাঙ্ক কুমার নাথ বৃহস্পতিবার এখানে দ্য সেন্টিনেলকে বলেন,আমরা ওই প্ৰস্তাবকে স্বাগত জানাচ্ছি। সুপ্ৰিম কোর্টের ওপর আমাদের গভীর আস্থা রয়েছে। আইনটির(ক্যা)বিরুদ্ধে আমাদের আইনি লড়াই অব্যাহত থাকবে’।

আসু নেতা আরও বলেন,‘ক্যা-র বিরুদ্ধে সুপ্ৰিম কোর্টে সাকুল্যে ১৪৪টি পিটিশন জমা পড়েছে। পিটিশনগুলিতে সবাই ক্যা-র বিরোধিতা করেছেন যদিও তবে রাষ্ট্ৰীয় পর্যায়ের বেশকিছু আবেদনকারী ইতিমধ্যেই উল্লিখিত ছটি ধর্মীয় সম্প্ৰদায় সহ মুসলিম ও তামিলদের ওই আইনে অন্তর্ভুক্তি চেয়েছেন। আফগানিস্তান,পাকিস্তান ও বাংলাদেশে ধর্মীয় নির্যাতনের শিকার হয়ে আসা যে ছটি সম্প্ৰদায়ের লোকেদের এই আইনের মাধ্যমে নাগরিকত্ব দিতে চাওয়া হয়েছে তারা হলো হিন্দু,বৌদ্ধ,শিখ,ক্ৰিস্টান,জৈন ও পার্শি। কেন্দ্ৰ যদি ওই প্ৰস্তাবে রাজি হয় তাহলে ওই সমস্ত আবেদনকারীদের ক্যা নিয়ে কোনও সংরক্ষণ নাও থাকতে পারে।

তবে এব্যাপারে আসুর অবস্থান একেবারেই পরিস্কার। ‘আমরা কোনও বিদেশিকেই মেনে নেবো না তা যে যেকোনও ধর্মের,জাতপাত অথবা সম্প্ৰদায়কেই হোক না কেন-যারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পর অসমে এসেছে’।

নাথ উল্লেখ করেন,‘ক্যা যদি রূপায়ণ করা হয় তাহলে এর নেতিবাচক প্ৰভাব অসম এবং গোটা উত্তর পূর্বাঞ্চলে পড়বে,যা দেশের অন্যান্য প্ৰান্তের তুনলায় অনেক বেশি হবে। প্ৰাথমিকভাবে এর কারণ হচ্ছে,একমাত্ৰ অসম ইতিমধ্যেই ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত আসা অবৈধ বিদেশির বোঝা কাঁধে তুলে নিয়েছে। অসম চুক্তি অনু্যায়ী ১৯৭১-এর ২৫ মার্চই হচ্ছে বিদেশি চিহ্নিতকরণ ও বহিষ্কারের ভিত্তি বছর। অন্যদিকে,দেশের অন্যন্য প্ৰান্তে বিদেশি চিহ্নিতকরণের ভিত্তি বছর হচ্ছে ১৯৫১ সাল। অসম চুক্তির শর্ত কোনওভাবে লঙ্ঘন হোক সেটা চান না রাজ্যর মানুষ’।

বছরের পর বছর রাজ্যে অবৈধ অনুপ্ৰবেশ সম্পর্কে নাথ বলেন,‘অপ্ৰতিরোধ্য গতিতে অনুপ্ৰবেশের জন্য অসমের মূল জনবিন্যাসগত কাঠামো ইতিমধ্যেই হুমকির মুখে এসে দাঁড়িয়েছে। বিদেশির বাড়তি বোঝা নিতে হলে তা অসমের খিলঞ্জিয়া মানুষের জমি,অস্তিত্ব,ভাষা,সংস্কৃতিতে বড় ধরনের হুমকির সৃষ্টি করবে।

আসু কখনোই অসমকে দ্বিতীয় ত্ৰিপুরা হতে দেবে না। কারণ ত্ৰিপুরার ভূমিপুত্ৰ মানুষের সংখ্যা হ্ৰাস পেয়ে এখন তারা নিজেদের জমিতেই দ্বিতীয় শ্ৰেণির নাগরিকে পরিণত হয়েছেন’।

অন্যান্য খবরের জন্য পড়ুনঃ মাশুল কাঠামো নির্ধারণে কেন্দ্ৰের প্ৰস্তাবে অসমের মেডিক্যাল পড়তে ইচ্ছুক প্ৰার্থীদের স্বস্তি

অধিক খবরের জন্য ভিডিও দেখুন: Two children aged 4 and 7, died in fire accident in Guwahati

Next Story