Top
undefined
Begin typing your search above and press return to search.

মোদির জন্মদিনের কেক কাটতে অস্বীকার হিমন্তের

মোদির জন্মদিনের কেক কাটতে অস্বীকার হিমন্তের

Sentinel Digital DeskBy : Sentinel Digital Desk

  |  18 Sep 2019 11:41 AM GMT

তিনসুকিয়াঃ তিনসুকিয়ায় মঙ্গলবার অনেক আনুরোধের পরও প্ৰধানমন্ত্ৰী নরেন্দ্ৰ মোদির ৬৯তম জন্মদিনের কেক কাটতে রাজি হলেন না রাজ্যের অর্থমন্ত্ৰী হিমন্তবিশ্ব শর্মা। কেক কাটা তো বড় কথা নয়। যেকেউই সেটা করে দেখাতে পারে। এমনকি হিমন্ত মুখ্যমন্ত্ৰী সর্বানন্দ সোনোয়ালকেও ওই কেক কাটতে বাধা দেন। আসলে এটা আরও দশটা সাধারণ কেকের মতো ছিল না। ওই কেকের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছিল প্ৰধানমন্ত্ৰী নরেন্দ্ৰ মোদির ছবি। বিজেপি-কর্মীরা শখ করেই ওই কেকটি নিয়ে এসেছিলেন তিনসুকিয়ার গুলাব চন্দ্ৰ রবি চন্দ্ৰ নাট্য মন্দিরে। কেক কাটার সময় শর্মা নাট্য মন্দিরের এক পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। জনৈক কর্মী কেক কাটার জন্য একটা ছুরি নিয়ে আসেন এবং তা শর্মার হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করেন। ওই সময় কেকের ওপর মোদির ছবি দেখতে পেয়ে শর্মা স্পষ্ট বলেন,এই কেক কাটা তাঁর পক্ষে কোনও ভাবেই সম্ভব নয়।

‘আমরা ভেবেছিলাম প্ৰধানমন্ত্ৰী মোদির জন্মদিন কেক কেটে আনন্দ,ফূর্তি করবো। কিন্তু কেক প্ৰস্তুত কর্তা কেকের ওপর প্ৰধানমন্ত্ৰী মোদির ছবি জুড়ে দিয়েছেন। এটা ভালবাসা নয়। আমরা এই কেক কাটবো না। কারণ কেকের সঙ্গে জুড়ে রয়েছে আমাদের প্ৰিয় নেতার ছবি’-বলেন শর্মা। ওই কেক কাটা মানে ছবির অমর্যাদা করা। শর্মা আরও বলেন,প্ৰধানমন্ত্ৰী তাঁর জন্মদিনে কেক কেটার চেয়ে ‘সেবা’কেই অগ্ৰাধিকার দিয়েছেন। ‘মোদিজি সব বিজেপি কর্মীদের বলেছেন,যদি সত্যিই আপনারা আমার জন্মদিন পালন করতে চান তাহলে সমাজের সেবায় ব্ৰতী হয়েই সেটা করুন’-উল্লেখ করেন হিমন্ত।

শর্মা এবং মুখ্যমন্ত্ৰী সোনোয়াল উভয়েই মঙ্গলবার এখানে এসেছিলেন তিনসুকিয়ার শ্ৰীপুরিয়া রোডে রেলওয়ে উড়াল সেতুর শিলান্যাস করতে। শর্মা বলেন,এই সেতু তিনসুকিয়াবাসীর জন্য মোদির জন্মদিনের উপহার।

৬০.২১ কোটি টাকা ব্যয় সাপেক্ষে এই সেতু গড়ে উঠলে তিনসুকিয়াবসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন সাকার হবে। ৫৬৩.৪০ মিটার দীর্ঘ এই সেতুটি নির্মাণে কেন্দ্ৰ ও রাজ্য সরকার ৫০ঃ৫০ শতাংশ অর্থ শেয়ার করবে। প্ৰকল্প ব্যয়ের ৫০ শতাংশ অর্থ বহন করবে সিটি ইনফ্ৰা ডেভেলপমেণ্ট ফান্ড(সিআইডিএফ)।

উড়াল সেতু শিলান্যাস উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে শর্মা বলেন,গত জুনে তিনি শেষবার এই শহরে এসেছিলেন। তখন পথ ঘাটের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় ছিল। এখন অবশ্য সড়কের হাল শুধরেছে। তবে আরও উন্নতির প্ৰয়োজন রয়েছে। আগামি নভেম্বরে কাজের অগ্ৰগতি দেখতে তিনি ফের তিনসুকিয়ায় আসবেন বলে আশ্বাস দেন হিমন্ত।

অন্যান্য খবরের জন্য পড়ুনঃ স্বচ্ছ এনআরসির জন্য রি-ভেরিফিকেশন চান হিমন্ত

অধিক খবরের জন্য ভিডিও দেখুন: Five Rhino Poachers apprehended in Biswanath | The Sentinel News | Assam News

Next Story