Top
undefined
Begin typing your search above and press return to search.

কশ্মীরে রাষ্ট্ৰপতি শাসনের মেয়াদ আরও ৬ মাস বৃদ্ধিতে লোকসভার অনুমোদন

কশ্মীরে রাষ্ট্ৰপতি শাসনের মেয়াদ আরও ৬ মাস বৃদ্ধিতে লোকসভার অনুমোদন

Sentinel Digital DeskBy : Sentinel Digital Desk

  |  29 Jun 2019 10:15 AM GMT

নয়াদিল্লিঃ জম্মু ও কাশ্মীরে রাষ্ট্ৰপতি শাসনের মেয়াদ আগামি ৩ জুলাই থেকে আরও ছমাস বৃদ্ধি করার বিষয়টিতে লোকসভা শুক্ৰবার অনুমোদন জানিয়েছে। স্বরাষ্ট্ৰমন্ত্ৰী অমিত শাহ সম্প্ৰতি বলেছিলেন,নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিলে কেন্দ্ৰ ওই রাজ্যে বিধানসভার নির্বাচন আয়োজন করতে প্ৰস্তুত। কিন্তু তা সত্ত্বেও কাশ্মীরে রাষ্ট্ৰপতি শাসনের মেয়াদ বাড়িয়ে দেওয়া হয়। শাহ বলেন,২০১৮ সালের জুন মাস থেকে জম্মু ও কাশ্মীরে ছমাসের জন্য রাজ্যপালের শাসন বলবৎ করা হয়েছিল এবং এরপর গত ডিসেম্বর থেকে রাষ্ট্ৰপতি শাসন চাপানো হয় রাজ্যটিতে। তাই সাম্প্ৰতিক লোকসভা নির্বাচনের সময় ওই রাজ্যে একইসঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। এর কারণ হলো রাজ্যে গণতান্ত্ৰিক কার্যকলাপ অর্থাৎ নির্বাচনে যে সব প্ৰার্থীরা দাঁড়াবেন বলে আশা করা হয়েছিল তাদের প্ৰত্যেকের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা সম্ভবপর ছিল না-বলেন শাহ।

‘তবে নির্বাচন কমিশন যবে জম্মু ও কাশ্মীরে নির্বাচন করানোর সিদ্ধান্ত নেবে সেই অনু্যায়ী রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং কেন্দ্ৰ এব্যাপারে কোনওরকম হস্তক্ষেপ করবে না। ইতিপূর্বে কংগ্ৰেসই নির্বাচন কমিশনকে(ইসি)নিয়ন্ত্ৰণ করতো,কিন্তু আমরা ওই কাজ করবো না’। লোকসভায় বক্তব্য পেশ করতে গিয়ে কথাগুলো বলেন শাহ।

কাশ্মীরে রাষ্ট্ৰপতি শাসনের মেয়াদ বৃদ্ধি সম্পর্কে তাঁরই একটি বিধিবদ্ধ প্ৰস্তাব নিয়ে বিতর্কের জবাবে শাহ বিরোধী কংগ্ৰেসকে নিশানা করেন। গত একবছরে ওই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন না করানোর ব্যাপারে কংগ্ৰেসের তরফে সরকারকে প্ৰশ্ন করায় শাহ বলেন,পুরনো এই দলটি অতীতে নির্বাচিত সরকারকে ৯৩ বার অপসারণ করেছে। স্বরাষ্ট্ৰমন্ত্ৰী বলেন,অতীতে কংগ্ৰেস সরকারই ৩৫৬ ধারার অপপ্ৰয়োগ করে একের পর এক ’নির্বাচিত সরকার ভেঙেছে। কাশ্মীরে রাষ্ট্ৰপতি শাসন বলবতের পক্ষে সওয়াল করে শাহ বলেন,ওই রাজ্যের বিশেষ পরিস্থিতিই কেন্দ্ৰীয় শাসন চাপাতে বাধ্য করেছে।

কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা জারি করে বিশেষ মর্যাদা দেওয়ায় তিনি কংগ্ৰেসকেই আক্ৰমণ করেন। এরজন্য শাহ দেশের প্ৰথম প্ৰধানমন্ত্ৰী জওহরলাল নেহরুকেই দায়ী করেন। ওই সময় কাশ্মীরের বিষয় নেহরুই দেখাশোনা করতেন। বাকি রাজগুলোর যাবতীয় বিষয়ে তদারকির দায়িত্ব ছিল লৌহমানব সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের ওপর। শাহ বলেন,‘৩৭০ ধারা হচ্ছে একটা সাময়িক ব্যবস্থা’। কাশ্মীরে রাষ্ট্ৰপতি শাসনের মেয়াদ আগামি ৩ জুলাই থেকে আরও ছয় মাস বৃদ্ধি করার বিধিবদ্ধ প্ৰস্তাবটি শুক্ৰবার লোকসভায় রাখেন শাহ। প্ৰস্তাবটি পেশ করে শাহ বলেন,ওই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন আপাতত স্থগিত রাখার ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন মত প্ৰকাশ করেছে। অমরনাথ যাত্ৰার পর রাজ্যের পরিস্থিতি অনুকূল হলে কমিশন নির্বাচনের কথা ভাববে বলে জানিয়েছে। কাশ্মীরের বর্তমান দুরবস্থার জন্য নেহরুকে দায়ী করে শাহ বলেন,কংগ্ৰেসের কাছ থেকে গণতন্ত্ৰের পাঠ শিক্ষার কোনও প্ৰয়োজন নেই সরকারের। কংগ্ৰেস আমলে কাশ্মীরে যতগুলি নির্বাচন হয়েছে সেগুলি গণতন্ত্ৰের নামে প্ৰহসন ছাড়া আর কিছুই ছিল না-বলেন শাহ।

‘কংগ্ৰেস বলছে,আমরা গণতন্ত্ৰকে গুঁড়িয়ে দিয়েছি। এরআগে সংবিধানের ৩৫৬ ধারা অর্থাৎ রাষ্ট্ৰপতি শাসন দেশে চাপানো হয়েছে ১৩২ বার। এর মধ্যে ৯৩ বার রাষ্ট্ৰপতি শাসন বলবৎ করেছে কংগ্ৰেসই’। শাহ বলেন,রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য বিজেপি কখনোই ৩৫৬ ধারাকে কাজে লাগাবে না।

অন্যান্য খবরের জন্য পড়ুনঃ প্ৰধানমন্ত্ৰীর পুনর্গঠিত ক্যাবিনেট কমিটির ৮টিতে অন্তর্ভুক্ত অমিত.দুটিতে রাজনাথ

Next Story