সংবাদ শিরোনাম

এনআরসি ১৯৫১ সালের ভিত্তিতে হওয়া উচিতঃ সিটিজেন্স কনভেনশন

এনআরসি

 

বর্তমান রাষ্ট্ৰীয় নাগরিক পঞ্জি(এনআরসি)১৯৫১ সালের এনআরসির ভিত্তিতে হওয়া উচিত এবং ২০১৯-এর এনআরসিতে শুধু নাম অন্তর্ভুক্ত হলেই তা ভারতীয় নাগরিকত্ব নির্ধারণের মানদণ্ড হিসেবে গণ্য করা উচিত হবে না। অনুরূপভাবে বর্তমান এনআরসি ছুট কোনও ব্যক্তির নাগরিকত্বের অবস্থান নির্ধারণে এটাই শেষ কথা বলে বিবেচনা করা ঠিক নয়। রবিবার এখানে বি বরুয়া কলেজে অনুষ্ঠিত লোক জাগরণ মঞ্চ,অসম এর নাগরিকত্ব ইস্যু সম্পর্কিত সম্মেলনে উল্লিখিত সুপারিশগুলি গ্ৰহণ করা হয়।

সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়েছে,বর্তমানে এনআরসিতে সহস্ৰাধিক স্থানীয় ভূমিপুত্ৰের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়নি। আবার অনেক বিদেশি নাগরিক বিভিন্ন জালিয়াতির আশ্ৰয় নিয়ে নিজেদের নাম এনআরসিতে অন্তর্ভুক্ত করতে সফল হয়েছেন। এই বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্ৰকাশ করেছে সম্মেলন। তাই বর্তমানে যে ধাঁচে এনআরসি প্ৰকাশ করা হয়েছে সম্মেলন সেটি গ্ৰহণযোগ্য নয় বলে মনে করে।

সম্মেলন আরও বলেছে,এনআরসি-র জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভেরিফিকেশনের প্ৰয়োজন রয়েছে। তারা বলেছে,বর্তমান এনআরসি ১৯৫১ সালের ভিত্তিতেই হওয়া উচিত। সম্মেলন এব্যাপারে দেশের আইনসভা,কার্যপালিকা ও আইন বিভাগকে আপিল জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সম্মেলন এনআরসি নিয়ে সারা রাজ্যে গণ সচেতনতা সভা ডাকবে। সম্মেলনে পৌরোহিত্য করেন ধ্ৰুব প্ৰসাদ বৈশ্য। বিভিন্ন স্থানীয় সংগঠনের প্ৰতিনিধি,সত্ৰ,ধর্মীয় নেতা,বুদ্ধিজীবী,সাহিত্যিক এবং শিক্ষাবিদরা সম্মেলনে অংশগ্ৰহণ করেন। এছাড়াও বরপেটা ও কমলাবাড়ি সত্ৰের সত্ৰাধিকার বশিষ্ঠ দেবশর্মা এবং সোনারাম শর্মা বুড়া ভকত যথাক্ৰমে উপস্থিত ছিলেন। অসম সাহিত্যসভার সভাপতি পরমানন্দ রাজবংশী এবং সারা অসম উপজাতি সংঘ,অসম পাবলিক ওয়র্কস এবং বিভিন্ন সম্প্ৰদায়ের ছাত্ৰ সংগঠনের প্ৰতিনিধিদেরও সভায় উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে।

 

অন্যান্য খবরের জন্য পড়ুনঃ বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে কেন্দ্ৰের কাছ থেকে অতিরিক্ত তহবিল এখনও পায়নি অসম

 অধিক খবরের জন্য ভিডিও দেখুন: Public Awareness Meeting on ‘Child Trafficking Free India’ was conducted in Nalbari