ন্যাশনাল

ভুয়া খবর ও ভুয়া তথ্যের বিরুদ্ধে লড়তে ফেসবুকের পদক্ষেপ

ভুয়া খবর
Source: Google

ফেসবুক ব্যাপক সংখ্যক মানুষের কাছে একটা অত্যন্ত জনপ্ৰিয় মাধ্যম। বেশিরভাগ মানুষ ফেসবুক বন্ধু বান্ধবী এবং পরিবারের লোকেদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনে ব্যবহার করেন। কেউ কেউ আবার ব্যবসা বাণিজ্য এবং অফিস,কাছাড়ির ক্ষেত্ৰেও এর ব্যবহার করে থাকেন। এর বিপরীতে কিছু লোক আবার ফেসবুক ভুয়া খবরের জন্য ব্যবহার করে। যার দরুন কিছু সংখ্যক লোকের জীবনে নেমে আসে ঘোর অমানিশা। সাম্প্ৰতিক সময়ে ভুয়া খবর জনপ্ৰিয় কিছু ব্যক্তি,সংগঠনের ক্ষেত্ৰে অপপ্ৰচার করে সমাজে বিরূপ প্ৰভাব ফেলা হচ্ছে। এই ভুয়া খবরগুলো কু অভিপ্ৰায় থাকা কিছু ব্যক্তি  বা দল,সংগঠনকে উপকৃত করলেও কিছু লোককে এরজন্য লোকসানের মুখে পড়তে হয়।

ফেসবুক এই ভুয়া খবরগুলির ওপর প্ৰতিবন্ধকতা আরোপের জন্য কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। পদক্ষেপগুলো হচ্ছে-

  • অধিকাংশ ভুয়া খবর প্ৰচারের হোতা কিছু অসাধু সংস্থা।
  • ফেসবুক ব্যবহারীরা এধরনের খবরের দ্বারা প্ৰায়ই আকর্ষিত হয়। জনসাধারণের মধ্যে এধরনের খবর সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য চেষ্টা করা উচিত। সেই সঙ্গে জনসাধারণের মনে যখন অনুভব হবে যে এটি ভুয়া খবর তখন এধরনের খবর নিয়ে বন্ধু বান্ধবের সঙ্গে শেয়ার করা কদাপি উচিত নয় তাদের। প্ৰত্যেকেরই এধরনের খবর নিয়ে আলোচনা করা উচিত।
  • ফেসবুক ব্যবহারকারীরা এধরনের খবরের দ্বারা প্ৰায়ই আকৃষ্ট হন। তাই এধরনের খবর শেয়ার না করার জন্য সাধারণ মানুষকে সচেতন করা উচিত। খবরটি সত্য না মিথ্যে অথবা খবরের সত্যতা কতটুকু সে ব্যাপারে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ফেসবুক একটা তৃতীয় পক্ষকেও নিয়োজিত করেছে যাতে এধরনের পোস্টগুলি তদন্ত করা যায়। বেশির ভাগ ভুয়া খবরের তারিখ ও তথ্য সমূহ অপ্ৰাসঙ্গিক। যেসব তথ্য অতি প্ৰয়োজনীয় সেগুলো থেকে সব সময় দূরে থাকে ভুয়া খবর প্ৰচারকরা। তাই যে সব পোস্টে কোনও ধরনের অপমানজনক তথ্য থাকে সেগুলি থেকে দূরে থাকাই শ্ৰেয়। ভুয়া খবরের ব্যাপারে ঘন ঘন রিপোর্ট করা উচিত। আর এব্যাপারে জনজাগরণ সৃষ্টি করা অতীব প্ৰয়োজন।

ফেসবুকের ফ্যাক্ট চেকিং রুটিনের কিছুটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে,সেগুলো হলো-

  • ফেসবুক সব দেশে কখনোই ফ্যাক্ট চেকার প্ৰোভাইড করে না।
  • সাংবাদিককতার ধাঁচ এবং সংবাদ সেবার স্বাধীনতায় স্থান বিশেষে তারতম্য দেখা যায়।
  • প্ৰত্যেক এবং প্ৰতিটি পোস্ট পরীক্ষা করার মতো ক্ষমতা ফ্যাক্ট চেকিং রুটিনের নেই।
  • এদিকে কিছু কিছু ক্ষেত্ৰে একাংশ সাংবাদিক প্ৰশ্ন চিহ্ন দিয়ে ভুয়া খবর ছাপেন।

এই পন্থা ঠিক নয়। এতে ব্যাপক সংখ্যক মানুষের মধ্যে বিরূপ প্ৰতিক্ৰিয়ার সৃষ্টি করে।

 

অন্যান্য খবরের জন্য পড়ুনঃ ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে সুরক্ষা প্ৰদানে ফেসবুক কি পদক্ষেপ গ্ৰহণ করেছিল?