ন্যাশনাল

কর্নাটকের বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের মামলা মেটাতে অধ্যক্ষকে নির্দেশ সুপ্ৰিমকোর্টের

সুপ্ৰিমকোর্ট
Source: Google

নয়াদিল্লিঃ কর্নাটকের বর্তমান রাজনৈতিক সংকট নিয়ে সুপ্ৰিমকোর্ট বিক্ষুব্ধ কংগ্ৰেস বিধায়কদের বিধানসভার অধ্যক্ষের সঙ্গে দেখা করার নির্দেশ দিয়েছে। বিক্ষুব্ধ কংগ্ৰেস বিধায়কদের বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছটায় অধ্যক্ষের সঙ্গে দেখা করে তাদের পদত্যাগ সংক্ৰান্ত ইস্যু নিয়ে কথা বলার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সর্বোচ্চ আদালত একই সঙ্গে বলেছে,কর্নাটক বিধানসভার অধ্যক্ষ কে আর রমেশ কুমারকে বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের ইস্তফা সম্পর্কে আজকের মধ্যেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের ইস্তফা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব সম্পর্কে বল অধ্যক্ষের কোর্টেই ঠেলে দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

সুপ্ৰিম কোর্টের মুখ্য বিচারপতি রঞ্জন গগৈর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ আরও বলেছে,কর্নাটক বিধানসভার অধ্যক্ষ রমেশ কুমার বিধায়কদের ইস্তফা পত্ৰ গ্ৰহণ করতে অস্বীকার করায় ১০ জন বিক্ষুব্ধ কংগ্ৰেস-জেডি(এস) বিধায়ক সুপ্ৰিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। শীর্ষ আদালত বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের এই অনুমতি দিয়েছে যে চাইলে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তাঁরা এখন অধ্যক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। অন্যদিকে বিধায়কদের সিদ্ধান্ত শোনার পর অধ্যক্ষকেও আজকের মধ্যেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বলে দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

বেঞ্চ অধ্যক্ষকে তাঁর সিদ্ধান্ত শুক্ৰবারের মধ্যে কোর্টকে জানাতে নির্দেশ দিয়েছে। বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের অনুরোধ মেনে শীর্ষ আদালত তাদের বেঙ্গালুরু বিমানবন্দরে অবতরণের সঙ্গে সঙ্গে পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করারও নির্দেশ দিয়েছে। গত ৬ জুলাই পদত্যাগপত্ৰ দাখিল করার পর থেকেই বিক্ষুব্ধ বিধায়করা মুম্বইয়ের একটি হোটেলে শিবির গেড়েছেন। এর আগে বরিষ্ঠ আইনজীবী মুকুল রোহতেগি অভি্যোগ করেছিলেন যে,অধ্যক্ষ রমেশ কুমার বিধায়কদের পদত্যাগ পত্ৰ গ্ৰহণ না করে তাঁর কর্তব্য পালন করেননি।

আদালত আরও উল্লেখ করেছে,‘অধ্যক্ষকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে একটা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতেই হবে এবং শুক্ৰবারের মধ্যে তাঁর সিদ্ধান্ত আদালতকে জানানো চাই’।

উল্লেখ্য যে,অধ্যক্ষ তাঁর সাংবিধানিক দায় দায়িত্ব পালন করছেন না এবং পদত্যাগ পত্ৰ গ্ৰহণে ইচ্ছাকৃতভাবে দেরি করছেন বলে অভিযোগ তুলে বিক্ষুব্ধ বিধায়করা বুধবার সুপ্ৰিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন।

রাজ্যে চলা এই রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই বুধবার কংগ্ৰেসের আরও দুজন বিধায়ক পদত্যাগ করায় পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়ে পড়ে। ওদিকে অধ্যক্ষ রমেশ কুমার বলেছেন,কংগ্ৰেস ও জেডি(এস)এর বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের অধিকাংশই কোনও ধরনের নিয়ম নীতি না মেনেই ইস্তফা দিয়েছেন। বিক্ষুব্ধ বিধায়করা তাঁর সঙ্গে দেখা না করে গণ ইস্তফা দেওয়ায় তিনি সেগুলি গ্ৰহণ করেননি বলে জানিয়েছেন অধ্যক্ষ। এরই পরিপ্ৰেক্ষিতে কংগ্ৰেস-জনতা দল(এস)এর ১০ জন বিক্ষুব্ধ বিধায়ক শীর্ষ আদালতের শরণাপন্ন হন।

 

 

অন্যান্য খবরের জন্য পড়ুনঃ অযোধ্যায় জমি বিবাদঃ মধ্যস্থতাকারীকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সময় দিল সুপ্ৰিমকোর্ট