ন্যাশনাল

ক্যা নিয়ে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশে অস্বীকার এসসি-র,কেন্দ্ৰকে ৪ সপ্তাহ সময় বেঁধে দিল

ন্যাশনাল

 

নয়াদিল্লিঃ নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন(ক্যা)নিয়ে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ মঞ্জুরে অস্বীকার করেছে সুপ্ৰিম কোর্ট। এর পরিবর্তে কোর্ট ক্যা সম্পর্কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে যে সমস্ত প্ৰস্তাব এসেছে,কেন্দ্ৰকে চার সপ্তাহের মধ্যে তার জবাব দিতে বলেছে। বরিষ্ঠ আইনজীবী কপিল সিবাল ক্যা রূপায়ণ না করার এবং এনপিআর(ন্যাশনাল পপুলেশন রেজিস্টার)এখনই বাতিল করার জন্য বেঞ্চকে অনুরোধ করেছিলেন। কোর্ট বলেছে,কেন্দ্ৰের কাছ থেকে জবাব না শুনে কোর্ট ক্যা নিয়ে স্থগিতাদেশ মঞ্জুর করবে না। শীর্ষ আদালত আরও বলেছে,ক্যা সম্পর্কিত পিটিশনগুলি শোনার জন্য পাঁচজন বিচারপতিকে নিয়ে একটি সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠন করা হবে।

সুপ্ৰিম কোর্টের মুখ্য বিচারপতি এসএ বোবদে-র নেতৃত্বে একটি বেঞ্চ ক্যার বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দাখিল করা ১৪৩টি আবেদনের কথা জানায়। ওদিকে কেন্দ্ৰীয় সরকারের তরফে আদালতে উপস্থিত থেকে অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপাল বেঞ্চকে জানান যে সরকার ক্যা নিয়ে যে সমস্ত প্ৰস্তাব পেয়েছে সে ব্যাপারে সাড়া দিতে তাদের আর সময়ের প্ৰয়োজন। ১৪৩ টি পিটিশনের মধ্যে কেন্দ্ৰের হাতে এসেছে ৬০টি প্ৰস্তাব। কোর্ট বলেছে,পাঁচজন বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ নাগরিকত্ব আইনের ওপর ১৪০টি আবেদনের অন্তর্বর্তী রায় দেবে।

অসম ও ত্ৰিপুরার ক্যা সম্পর্কিত পিটিশনগুলি পৃথকভাবে বিবেচনা করা হবে। সুপ্ৰিম কোর্ট এ সম্পর্কে মামলার তালিকা দিতে বলেছে দুটো রাজ্যকে। অসম এবং ত্ৰিপুরার ক্যা সম্পর্কিত পিটিশনগুলির শুনানি পৃথকভাবে গ্ৰহণ করা হবে। আফগানিস্তান,পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে ধর্মীয় নির্যাতনের শিকার হয়ে এদেশে আসা হিন্দু,শিখ,বৌদ্ধ,জৈন,পার্শি এবং খ্ৰিস্টানদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দিয়ে তাদের রক্ষণাবেক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যেই ক্যা আনা হয়েছে। এই সমস্ত শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য কাট অফ ডেট ধার্য করা হয়েছে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর।

এদিকে স্বরাষ্ট্ৰমন্ত্ৰী অমিত শাহ ফের বলেছেন,কোনও পরিস্থিতিতেই ক্যা প্ৰত্যাহার করা হবে না।

 

অন্যান্য খবরের জন্য পড়ুনঃ ১ জুন থেকে সারা দেশে ‘এক দেশ এক রেশন কার্ড’ স্কিম রূপায়ণ করা হবে

অধিক খবরের জন্য ভিডিও দেখুন: ‘Punya Dham Yatra’ flagged off at Kamakhya Railway Station