Begin typing your search above and press return to search.

সিএএ-র ওপর স্থগিতাদেশ দেয়নি সুপ্ৰিম কোর্ট

সিএএ-র ওপর স্থগিতাদেশ দেয়নি সুপ্ৰিম কোর্ট

Sentinel Digital DeskBy : Sentinel Digital Desk

  |  19 Dec 2019 7:51 AM GMT

নয়াদিল্লিঃ সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের(সিএএ)সাংবিধানিক বৈধতা খতিয়ে দেখা হবে। বুধবার একথা জানিয়েছে সুপ্ৰিমকোর্ট। তবে শীর্ষ আদালত সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের ওপর কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি। আইনটির বৈধতার বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্ৰিমকোর্টে মোট ৫৯টি পিটিশন জমা পড়েছে। ওই আইনে পাকিস্তান,বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় নির্যাতনের শিকার হয়ে ভারতে আসা মুসলিম শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দিতে চাওয়া হচ্ছে।

সুপ্ৰিমকোর্টের মুখ্য বিচারপতি এসএ বোবদে-র নেতৃত্বে বিচারপতি বিআর গাভাই এবং সূর্যকান্তকে নিয়ে গঠিত একটি বেঞ্চ বুধবার কেন্দ্ৰীয় সরকারকে একটি নোটিশ ইস্যু করেছে। মামলাটির পরবর্তী শুনানির তারিখ আগামি ২২ জানুয়ারি নির্ধারণ করেছে কোর্ট। আইনটির বৈধতা সম্পর্কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দাখিল করা একগুচ্ছ মামলা সম্পর্কে সুপ্ৰিম কোর্ট কেন্দ্ৰকে তাদের বক্তব্য তুলে ধরে হলফনামা দাখিল করতে বলেছে। তাই ২২ জানুয়ারির আগে পর্যন্ত মামলাটি মুলতুবি থাকছে। বেঞ্চ এদিন অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালকে মৌখিকভাবে বলেছে,কেন্দ্ৰের পক্ষ থেকে আইনের বিভিন্ন বিষয় বিস্তারিতভাবে সংবাদ মাধ্যমে তুলে ধরার জন্য। এতে আইনটি সম্পর্কে দেশবাসীর মন থেকে বিভ্ৰান্তি দূর হতে পারে। শীর্ষ আদালত এ ক্ষেত্ৰে বৈদ্যুতিক মাধ্যমকে গুরুত্ব দেওয়ার শলা দিয়েছে। মামলাকারীরা তাদের গুচ্ছ আবেদনে উল্লেখ করেছেন,ভারত একটা ধর্ম নিরপেক্ষ দেশ। তাই যেকোনও ধর্মের মানুষের প্ৰতি সরকারকে সম আচরণ করতে হবে। কিন্তু নতুন আইন নাগরিকদের মৌলিক ও সাম্যের অধিকারকে লঙ্ঘন করেছে। নতুন এই আইনের বৈধতা সম্পর্কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মামলাকারীরা আইনটির ওপর স্থগিতাদেশের আবেদন জানিয়েছিলেন।

এদিকে সুপ্ৰিম কোর্টে আইনটি সম্পর্কে কেন্দ্ৰকে হলফনাম পেশ করার নির্দেশ দেওয়ায় জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন ‘আমরা খুশির সঙ্গেই এটা করবো’। আইনটির বৈধতা সম্পর্কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে যারা আবেদন করেছেন তাদের পক্ষে সওয়াল করার জন্য বেশকিছু বরিষ্ঠ আইনজীবী এগিয়ে এসেছেন। মামলাটি নিয়ে সংক্ষিপ্ত শুনানিকালে কয়েকজন আইনজীবী আবেদনকারীদের পক্ষে সংশোধিত আইনটির ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে শীর্ষ আদালতে আবেদন করেছে ইন্ডিয়ান মুসলিম লিগ,অসম গণ পরিষদ সহ বেশ কিছু দল,সংগঠন ও ব্যক্তি বিশেষ।

উল্লেখ্য,নতুন সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন প্ৰান্তে প্ৰতিবাদের ঝড় উঠেছে। অসমের প্ৰাক্তন মুখ্যমন্ত্ৰী তরুণ গগৈও সংশোধিত আইনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দাখিল করা আবেদনের শুনানিতে এদিন কংগ্ৰেস নেতা পি চিদম্বরমকে সহযোগিতা করেন। উল্লেখ্য,এর আগে ১৯৮৩ সালে গগৈকে শেষবার আদালতে হাজির হতে দেখা গিয়েছিল। তাৎপর্যপূর্ণভাবে কংগ্ৰেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের আমলে এনআরসি-র(জাতীয় নাগরিক পঞ্জি)পক্ষে গগৈকে সওয়াল করতে দেখা গিয়েছিল। তরুণবাবুর ছেলে গৌরব গগৈ বুধবার এক টুইটারে বলেছেন ‘আমার বাবা,অসমের তিন তিনবারের মুখ্যমন্ত্ৰী তরুণ গগৈ সিএএ-র বিরুদ্ধে মামলা করতে আবার আইনজীবীর পোশাক গায়ে জড়ালেন’। সিএএ-র বিরুদ্ধে অন্যান্য যারা আবেদন করেছেন তারা হলেন তৃণমূল কংগ্ৰেসের সাংসদ মহুয়া মৈত্ৰ,কংগ্ৰেস নেতা জয়রাম রমেশ,ইন্ডিয়ান মুসলিম লিগ,পিস পার্টি,এনজিও রিহাই মঞ্চ এবং সিটিজেনস অ্যাগেনস্ট হেট,আইনজীবী এমএল শর্মা এবং আইনের ছাত্ৰরা।

অন্যান্য খবরের জন্য পড়ুনঃ ভারতে অবৈধভাবে বসবাসকারী বাংলাদেশি নাগরিককে ফিরিয়ে নেবে ঢাকাঃ রিজভি

অধিক খবরের জন্য ভিডিও দেখুন: AASU Rally Against CAA 2019 in Kokrajhar

Next Story