ন্যাশনাল

২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে সুরক্ষা প্ৰদানে ভুয়া খবর ও ভুল তথ্যের প্ৰচার রুখতে ফেসবুক কি পদক্ষেপ নিয়েছিল?

লোকসভা নির্বাচনে
Source: Google

২১শ শতাব্দীতে সোশ্যাল মিডিয়া জনজীবনে একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। যেকোনো বিষয়ে নিজের মতামত তুলে ধরার জন্য এটা একটা কমন প্ল্যাটফর্ম দিয়েছে জনসাধারণকে। এক্ষেত্ৰে সেরা উদাহরণ হচ্ছে রাজনীতি। আজকাল ফেসবুকে পর্যাপ্ত পরিমাণে রাজনৈতিক পোস্ট সম্প্ৰচার করা হচ্ছে। মানুষ এতে সরকারের কাজকর্ম নিয়ে নিজেদের মতামত প্ৰকাশ করছেন। সোশ্যাল মিডিয়া এর ব্যবহারকারীদের ক্ষমতা ও বলার স্বাধীনতা দিয়েছে।

ফেসবুক এবং ভুয়াখবর সম্প্ৰচার

মানুষের কাছে সোশ্যাল মিডিয়ার পছন্দসই ও সুবিধাজনক একটা প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে ফেসবুক। নির্বাচনের সময়ে ফেসবুক এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটা শুরু হয়েছে ২০১৬ সালে আমেরিকার রাষ্ট্ৰপতি নির্বাচনের সময় থেকে।

ভুয়া খবর ও ভুয়া তথ্য প্ৰচারে ফেসবুক এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এসেছে। নির্বাচনের সময় এই সমস্যা অধিক হতে দেখা যায়। ভুয়া তথ্যের মাধ্যমে যথেষ্ট সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি সমাজে বিতর্কেরও সৃষ্টি হয়। তাই এক্ষেত্ৰে ফেসবুক-এর গুরুত্ব দেওয়াটা প্ৰয়োজনীয়।

ফেসবুক-এর গৃহীত পদক্ষেপসমূহঃ

এই সমস্যাগুলোকে ফেসবুক বিভিন্ন গবেষণার মাধ্যমে প্ৰযুক্তির উন্নতি ঘটিয়ে আপত্তিজনক পোস্টগুলো অপসারণের চেষ্টা করছে। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের সময় ফেসবুক এধরনের সমস্যা সমাধানে বেশকিছু পদক্ষেপ গ্ৰহণ করেছিল। ভারতের মিডিয়া কোম্পানি এবং বেশকটি আঞ্চলিক ভাষার মাধ্যমে ভুয়া খবর ও ভুয়া তথ্য প্ৰচার বন্ধে সাহায্য করেছিল। ভারতের মিডিয়া হাউসে বিশেষজ্ঞদের ক্ষেত্ৰেও কাজ করেছিল। হিংসাত্মক এবং আপত্তিজনক মন্তব্য থাকা পোস্টের ক্ষেত্ৰে তারা একসঙ্গে নিরীক্ষাণ এবং পর্যালোচনা করেছিল। ফেসবুকের উদ্দেশ্য ছিল লোকসভা নির্বাচনে ভুয়া খবর এবং ভুয়া তথ্য প্ৰচার বন্ধ করা।

সাম্প্ৰতিক বছরগুলোতে নির্বাচনে গোপনীয়তা রক্ষার ক্ষেত্ৰে যথেষ্ট পরিবর্তন আনা হয়েছে এবং এক্ষেত্ৰে সফলও হয়েছে ফেসবুক। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে গৃহীত কিছু পদক্ষেপ বা কৌশল হচ্ছেঃ-

  • ফেসবুক ভুয়া অ্যাকাউণ্ট বন্ধে পদক্ষেপ নিয়েছিল
  • ফেসবুক খারাপ অ্যাক্টর শনাক্ত করে ডিলিড করেছিল।
  • নির্বাচনের সময় ভুয়া খবর প্ৰচারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছিল।
  • রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্ৰে কিছু স্বচ্ছতা মেনে চলছিল।

ফেসবুক ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য ৩০ হাজার মানুষ কাজ করছে। সেইসঙ্গে রেগুলেশন,আইন এনফোর্সমেণ্ট,নির্বাচন কমিশন ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের সঙ্গে একযোগে কাজ করছে।

ফেসবুকের গৃহীত পদক্ষেপের জন্য ভুয়া খবর সম্প্ৰচার এনেকটা হ্ৰাস পেয়েছে। আগামি দিনে ফেসবুক সম্পূর্ণরূপে ভুয়া খবর বন্ধ করতে সফল হবে।

 

অন্যান্য খবরের জন্য পড়ুনঃ ভুয়া খবর ও ভুয়া তথ্য ছড়ানো কিভাবে হুমকিস্বরূপ হয়ে দাঁড়ায়